এই খাবারগুলি খেলে কোনও দিন আপনার ডায়াবেটিস হবে না!

দা জার্নাল অব দা ইউরোপিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দা স্টাডি অব ডায়াবেটিসে প্রকাশিত একটি স্টাডি অনুসারে নিয়মিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খেলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়, বিশেযত মহিলাদের মধ্যে। আমাদের দেশে যে হারে ডায়াবেটিস রোগের প্রকোপ বাড়ছে, বিশেষত কম বয়সিদের মধ্যে, তাতে এই গবেষণা যে ডায়াবেটিস চিকিৎসার সামগ্রিক চিত্রটাই বদলে দেবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। আসলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার, যেমন জাম, ডার্ক চকোলেট, কিডনি বিনস, লবঙ্গ, দারুচিনি, লেবু ,পালং শাক, তুলসি পাতা এবং আদা নিয়মিত খেলে শরীরে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে ডায়াবেটিস রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। তবে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কেবল মাত্র ডায়াবেটিস রোগকে দূরে রাখে, এমন নয় কিন্তু! এই উপাদানটি আরও অনেক উপকারে লেগে থাকে। যেমন…

ত্বকের বয়স কমায়: খাতায় কলমে শরীরের বয়সে বাড়ালেও আপনি কি চান ত্বকের বয়স না বারুক? তাহলে যে বন্ধু প্রতিদিনের ডায়েটে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার রাখতেই হবে। কারণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, শরীরের কোণায় কোণায় জমে থাকা টক্সিক উপাদানদের বের করে দিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের সৌন্দর্য বাড়তে শুরু করে। প্রসঙ্গত, এইসব টক্সিক উপাদানদের মাত্রা যদি শরীরে বাড়তে শুরু করে, তাহলে ত্বকের উপর খারাপ প্রভাব তো পরেই, সেই সঙ্গে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়: বয়সের সঙ্গে সঙ্গে যাতে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সেই সঙ্গে রেটিনার কর্মক্ষমতা বাড়ানোর মধ্যে দৃষ্টিশক্তির সার্বিক উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। তাই তো যারা দিনের বেশিটা সময় কম্পিউটারের সামনে কাটান, তাদের নিয়মিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের আশঙ্কা কমায়: শরীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানেরা যাতে কোনও ভাবে হার্টে রক্ত সরবরাহকারি শিরা-ধমনির ক্ষতি করতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখে। সেই সঙ্গে হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ানোর মধ্যে দিয়ে নানাবিধ হার্ট ডিজিজকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিকাল নিউট্রিশানের রিপোর্ট অনুসারে যাদের শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বেশি থাকে, তাদের স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে যায়।

ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে: বেশ কিছু গবেষণায় একথা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়ে গেছে যে শরীরে অ্যান্টঅক্সিডেন্টের ঘাটতি মিটতে থাকলে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। কারণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের শরীর থেকে বার করে দিয়ে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা কমায়। সেই সঙ্গে ম্যালিগনেন্ট টিউমারের সম্ভাবনাও কমায়।

ব্রেন পাওয়ার বাড়ায়: শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ধীরে ধীরে নার্ভের ক্ষমতা কমে যেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে স্মৃতিশক্তিও কমতে শুরু করে। তাই তো অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের মাত্রা যাতে কোনও ভাবে বৃদ্ধি না পায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর এই কাজটি করবেন কিভাবে? এক্ষেত্রে প্রতিদিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। এমনটা করলেই দেখবেন একদিকে যেমন অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের মাত্রা কমবে, তেমনি ডিমেনশিয়া এবং অ্যালঝাইমারসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও আর থাকবে না।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>