যে দুইটি অভ্যাস আপনার চেহারায় এনে দিচ্ছে বয়সের ছাপ !

আমাদের বয়স যত বৃদ্ধি পেতে থাকে ততোই আমরা নিজেদের কম বয়স্ক দেখানোর জন্য উদগ্রীব হতে শুরু করি। মূলত জিন হলো প্রদান নির্দেশক, যার ফলে চেহারাতে বয়সের ছাপ দেখা দিতে শুরু করে। সম্প্রতি জার্নাল অফ এপিডেমিওলোজি এন্ড কম্যুনিটি হেলথতাদের একটি গবেষণাপত্রে প্রকাশ করেছে, দুইটি অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসের ফলে প্রকৃত বয়সের চাইতে বেশী বয়সের ছাপ চেহারার মাঝে দেখা দিয়ে থাকে অনেক দ্রুত!  

ড্যানিশ গবেষকেরা কোপেনহেগেন সিটি হার্ট স্টাডির তথ্যের উপর নির্ভর করে গবেষণাটি করেন। যেখানে ১১,৫০০ জন অংশগ্রহণকারীর চেহারার মাঝে বয়সের ছাপ পরিলক্ষিত হয়েছিল। অংশগ্রহনকারীদের প্রশ্ন করা হয়েছিল, তাদের প্রতিদিনের জীবনযাপনে তারা কতখানি মদ্যপান করেন এবং ধূমপান করেন! একইসাথে গবেষকেরা অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককের কান, চোখ এবং চুলের ঘনত্বও পরীক্ষা করে দেখেন।

ফলাফল হলো- এই দুইটি অভ্যাস যাদের মাঝে রয়েছে তাদের চেহারায় বয়সের ছাপ দ্রুত দেখা দেয়। যে সকল নারীরা ২৮ গ্লাস অথবা তার বেশী পরিমাণ মদ্যপান করেন এক সপ্তাহে, ৩৩ শতাংশ সম্ভবনা থাকে তাদের চোখের রং বয়স জনিত কারণে বিবর্ণ হয়ে উঠবে। এটা তুলনা করা হয়েছিল যে সকল নারী সপ্তাহে ৭ গ্লাস কিংবা তার কম পরিমাণ মদ্যপান করেন। অন্যদিকে যে সকল পুরুষ সপ্তাহে ৩৫ গ্লাসের বেশি মদ্যপান করেন তাদের ক্ষেত্রে বয়সের ছাপ দেখা দেওয়ার সম্ভবনা ৩৫ শতাংশ দেখা যায়।

অন্যদিকে অধূমপায়ীদের তুলনায় ধূমপায়ী নারীদের চোখের দৃষ্টিতে বয়সজনিত সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভবনা ৪১ শতাংশ। এক্ষেত্রে ধূমপায়ী নারীরা ১৫ বছর ধরে প্রতিদিন এক প্যাকেট সিগারেট ধূমপান করেছেন। ধূমপায়ী পুরুষদের ক্ষেত্রে বয়স জনিত লক্ষণের হার ১২ শতাংশ।

উক্ত গবেষণার গবেষক জানান, এটিই হলো প্রথম গবেষণা যা প্রকাশ করে, ধূমপান এবং মদ্যপানের সাথে সঠিক বয়সের পূর্বেই চেহারায় বয়সের ছাপ দেখা দেওয়ার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত ধূমপান এবং মদ্যপান শরীরেও বয়সের ছাপ ফেলে দিতে পারে। যে কারণে, এই দুইটি অভ্যাস দ্রুত বাদ দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>