কোন ধরনের ফিলিং দাঁতের জন্য সবচেয়ে ভালো? জেনে নিন

দাঁতের ক্ষয়রোধে সাধারণত ফিলিং করা হয়। তবে ফিলিংয়েরও কিছু ধরন রয়েছে। কোন ধরনের ফিলিং দাঁতের জন্য ভালো, এ বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ২৯৪৩তম পর্বে কথা বলেছেন ডা. সৈয়দ তামিজুল আহসান রতন।

বর্তমানে তিনি রতন’স ডেন্টালের প্রধান পরামর্শক হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : কোন ফিলিং দাঁতের জন্য ভালো?

উত্তর : কোনো জিনিসকে অবহেলা করা যাবে না। যখন কোনো ধরনের ফিলিং ছিল না তখন মেটাল ফিলিং ছিল। মার্কারি ফিলিং ছিল। মার্কারি, আলোয় মিশিয়ে ফিলিং দেয়া হতো। একে স্থায়ী ফিলিং বলা হতো। ওই ফিলিং দেখতে এক রঙের। কিন্তু ওই ফিলিংটা এখন আন্তর্জাতিকভাবে বন্ধ। মার্কারি থাকার কারণে এটি কারসিনোজেনিক। এটি থেকে অনেক ক্যানসার ছড়াতে পারে। ফুসফুসের ক্যানসার হতে পারে, স্তন ক্যানসার হতে পারে, অন্যান্য ক্যানসার হতে পারে। এটি বিষাক্ত।

আমি ১৯৯২ সাল থেকে এখনো একটি মার্কারি ফিলিং করিনি। মার্কারি ম্যাটেরিয়ালস আমি কিনিওনি। আমি জানছি এটি ক্ষতিকর। এখন অনেক অগ্রবর্তী ফিলিং বের হয়েছে দাঁতের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে, সেগুলো ভালো। প্রত্যেক ফিলিং পাঁচ বছর পরপর পরিবর্তন করা উচিত। তবে রোগীরা মনে করে একবার ফিলিং দিয়েছে এটি আর পরিবর্তন করার দরকার নেই। মজার বিষয় হলো যতটুকু ক্ষয় হয়, আবার ততটুকু ফিলিং দিয়ে দেওয়া যায়। দাঁতের রঙের সঙ্গে ম্যাচ করে কিছুই বোঝা যায় না। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আমি বলব, এ বিষয়ে রোগীদের সচেতন হওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞ দন্ত্য চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে–

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।’

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>