লবণ-লেবু দূর করবে শরীরের হাজারো সমস্যা!

পাতিলেবুর গুণাগুণ নিয়ে ইতোমধ্যেই যথেষ্ট চর্চা হয়ে গেছে। ভিটামিন ও অ্যাসিডের যথাযথ সমন্বয় একটি পাতিলেবুকে অব্যর্থ অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করতে সমর্থ করে, তা ডাক্তাররাও স্বীকার করেন। পাতিলেবুর কিছু অসামান্য গুণের কয়েকটি নিয়ে আলোচনা করা হলো-

যারা খুস্কির সমস্যায় ভুগছেন, তারা  গোসলের মিনিট দশেক আগে চুলের গোড়ায় যদি পাতিলেবুর রস ম্যাসাজ করেন, আর তারপর শ্যাম্পু করে গোসল করেন, তাহলে খুস্কির হাত থেকে মুক্তি মিলবে।

শরীরের যেসব জায়গায় চামড়া মোটা এবং শুষ্ক (যেমন গোড়ালি, কনুই, কিংবা হাঁটু) সেই সমস্ত জায়গায় পাতিলেবুর রস ঘোষতে হবে। তাহলে কয়েক দিনের মধ্যেই চামড়া নরম হয়ে যাবে।

নিয়মিত লেবুর রসের শরবৎ পান করলে অতিরিক্ত মেদ ঝরে যাবে।

কিন্তু সম্প্রতি অলটারনেটিভ মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার অফ সিডনি একটি গবেষণায় জানিয়েছে, পাতিলেবুর রসের উপকারিতা পেতে সবসময় যে তা সেবন করতে হবে কিংবা শরীরে প্রয়োগ করতে হবে, তা নয়। অন্যভাবেও উপকার পাওয়া যেতে পারে লেবুর।

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, প্রতি রাতে একটি পাতিলেবুকে মাঝ বরাবর দু’ টুকরো করে তাতে একটু লবণ মাখিয়ে রেখে শোওয়ার বিছানার পাশে, মাথা থেকে সামান্য দূরে রাখতে হবে। তাতেই শরীরের দারুণ উপকার হবে।

সম্প্রতি অলটারনেটিভ মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার অফ সিডনি একটি গবেষণায় এমন বিষয় উঠে এসেছে। পাঠকদের জন্য পাতিলেবুর কিছু অসামান্য গুণের কয়েকটি নিয়ে আলোচনা করা হলো-

পাতিলেবু এবং লবণ ঘরের বাতাসকে পরিশোধিত করতে সাহায্য করে।

সারারাত বিশুদ্ধ বাতাস গ্রহণের ফলে ব্যক্তির মনঃসংযোগ, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি শ্বাসযন্ত্রের উন্নতি হয় এবং মেজাজও ভালো থাকে।

ব্যক্তির সর্দি বা গলা ব্যথার মতো সমস্যা থাকলে এই কৌশলে খুব ভাল কাজ দেবে। মাথার কাছে লবণ-লেবু রেখে ঘুমালে নাক বন্ধের সমস্যা থেকে যেমন মু‌ক্তি মিলবে তেমনই অনেকটা গলা ব্যথাও কমবে।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>