প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় যা যা রাখবেন, জেনে নিন

Share This
Tags

খাদ্য তালিকা আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। তবে খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে এমন কিছু জিনিস, যা খেলে সহজে সুস্থ থাকা যায়। প্রতিদিনের খাবারে তালিকায় যা যা রাখবেন, তা নিচে উল্লেখ করা হল-

ডিম :
ডিম সব থেকে স্বল্পমূল্যের প্রাণীজ প্রোটিনের উৎস। ডিমের কুসুমে অনেক গুরুত্বপুর্ণ পুষ্টি উপাদান থাকে। কুসুমসহ একটা ডিমে মোট ৫ গ্রামের মত ফ্যাট বা চর্বি থাকে, যার মধ্যে মাত্র দেড় গ্রাম সম্পৃক্ত ফ্যাট। এছাড়া ডিমের কুসুমে ৩০০ মি.গ্রা. কোলিন থাকে। এটা মস্তিষ্ক, নার্ভাস সিস্টেম ও হৃদপিণ্ডের জন্য বেশ ভাল। ডিমে প্রায় ১৮০ মিগ্রা কোলেস্টেরল থাকে। একজন মানুষের দৈনিক কোলেস্টেরল চাহিদা ২০০-২২০ মিগ্রা। সুতরাং ডিম খেলেই এই চাহিদা সহজে মেটানো সম্ভব।

অলিভ অয়েল :
অলিভ অয়েলের উপকারিতার শেষ নেই। গবষণায় দেখা গেছে, রান্নায় ব্যবহৃত অলিভ অয়েলের অ্যাডিপোনেকটিন শরীরের অতিরিক্ত চর্বি ভাঙতে সাহায্য করে ও ওজন কমায়। ফলে দেহের চর্বি কমে। তাছাড়া অলিভ অয়েলে ক্যান্সার বিরোধী পলিফেনল ও হার্টের জন্য উপকারী মনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে।

নারিকেল :
নারিকেলে প্রচুর স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে যার উৎস হচ্ছে লাউরিক অ্যাসিড নামের এক ধরনের বিশেষ লিপিড। এটা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে। এছাড়া নারিকেল শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে দেহের অতিরিক্ত ওজন কমে।

বাদাম :
বাদামে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম, আঁশ বা ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে বাদাম ওজন কমাতে বেশ কার্যকর। পুষ্টিবিদদের মতে, একজন সুস্থ ব্যক্তির দৈনিক ৩০ গ্রাম বাদাম খাওয়া উচিত।

তিসি :
বাদামের মত তিসির বীজও বেশ উপকারী। তিসির বীজে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রী ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এটা রক্তে সুগারের মাত্রা কমাতে সহায্য করে।

সয়াবিন :
সয়াবিনে প্রচুর স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে। সাধারণত ১০০ গ্রাম সয়াবীজে ৩৭ গ্রাম ফ্যাট থাকে যার ৩২ গ্রামই আনস্যাচুরেটেড বা অসম্পৃক্ত ফ্যাট। এছাড়াও সয়াবীজ উদ্ভিজ প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট (শর্করা), ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি, আয়রণ, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের দারুণ উৎস।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>