প্রসবের আগে যে তথ্যগুলো মাকে জানানো হয় ‘না’ !

গর্ভধারণের পর থেকেই একজন নারীকে নানারকম শারীরিক ও মানসিক সমস্যার ভেতর দিয়ে যেতে হয়। বিশেষ করে মানসিক চাপে ভোগেন তারা। আর তাই এরকম সময়ে চিকিৎসকরা কিছু কিছু বিষয় হবু মায়ের কাছ থেকে গোপন করেন। এগুলো হলো:

–প্রসবের অাগে মায়েরা খুব মানসিক চাপে থাকেন এই ভেবে যে তাকে হয়তো যথেষ্ট শক্তিতে শিশুটিকে ঠেলে দিতে হবে (পুশ করা)। আর এই ধাক্কাতেই শিশুটি বেরিয়ে আসে বলে জানেন সবাই। কিন্তু আসলে বিষয়টা কি তা? ঘটনাটি প্রকৃতিগতভাবেই ঘটে। শিশুটিকে বের করে দিতে জরায়ু সঙ্কুচিত হতে থাকে। এটি এমনিতেই শিশুটিকে ধাক্কা দিতে থাকে। এসময় শিশুর মস্তিষ্কে সংকেত যায়, তখন সে নিজেও বেরিয়ে আসতে চায়।

–অনেক নারীই মনে করেন প্রসবের আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। প্রসবের জন্য হাত-পা থেকে শুরু করে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ পরিষ্কার করেন তারা। অথচ মা গোসল করেছেন কিনা সেটা নিয়েও চিকিৎসকের মধ্যে কোনো চিন্তা থাকে না। ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি হেলথ এর ওবি/জিওয়াইএন বিশেষজ্ঞ ড. কেলি ক্যাসপার জানান, সন্তান জন্মদানের জন্য এগুলোর প্রয়োজন নেই।

–মাকে বলা হয় জন্মদানের সময় ক্ষুধার্ত থাকলে তিনি ইচ্ছা করলেই খেতে পারবেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে হাসপাতালে নেওয়ার পর আর খেতে দেওয়া হয় না।

–মায়ের ভয় বা টেনশনের কারণে বমি বা টয়লেটও হতে পারে। শিশুকে ধাক্কা দেওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটতেই পারে। এটা অস্বস্তিকর ঘটনা ঘটতেই পারে।

–হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে গর্ভের শিশুকে ধাক্কা দিতে হবে, এমনটা ভাবা ভুল। বরং আপনি যদি পেছনে দুই হাতের ভরে বসে থাকেন, তবে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আপনার শিশুটিকে টেনে বের করতে সহায়তা করবে।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে–

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।’

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>