ওজন কমানো এবং লিভার বিষমুক্ত করতে যাদুকরী এক জুস ! জেনে নিন তৈরীর পদ্ধতি

স্বাস্থ্যবান জীবন-যাপনের জন্য দরকার স্বাস্থ্যকর ওজন এবং লিভার। এ ক্ষেত্রে আপনার সহায়ক হতে পারে বাধাকপি এবং আদার মিশ্রণে তৈরি একটি যাদুকরী জুস। বাধাকপিতে আছে পটাশিয়াম, ভিটামিন সি এবং সালফার যা লিভারকে বিষমুক্ত করতে পারে। এসব উপাদান লিভার থেকে ইউরিক এসিড এবং ফ্রি র‌্যাডিক্যালস এর মতো বিষদের বের করে দেয়। এছাড়া এর প্রদাহরোধী উপাদান পানিশুন্যতা এবং লিভার বিষমুক্তকরনের মাথাব্যাথা দূরীকরনেও বেশ কার্যকর।

লিভারের আরেকটি বিষমুক্তকরন উপাদান আদা। আদাতে থাকা জিনজারোল এবং শোগা এই কাজে সহায়ক হিসেবে কাজ করে। বাধাকপিতে ক্যালোরি কম থাকায় তা আপনার ওজন কামনোর লক্ষ্যে সহায়ক হিসেবে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যুক্ত হতে পারে। আদাও ওজন কমানোয় সহায়ক প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে থাকতে পারে আপনার খাদ্য তালিকায়। তাহলে এবার ভাবুন যদি এই দুটি উপাদান দিয়ে জুস বানিয়ে খাওয়া যায় তাহলে তা কতটা উপকারে লাগবে!

আসুন এই জুস বানানোর পদ্ধতিটি জেনে নেওয়া যাক।

উপাদান:
একটি গোলাপি বা সবুজ বাধাকপি, ১-২ টুকারা আদা, ২ টেবিল চামচ তাজা লেবুর রস, ১টি আপেল, আধা চা চামচ জিরা বীজ

বানানোর পদ্ধতি: বাধাকপি, আপেল এবং আদা ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এরপর সেগুলো দেড় গ্লাস পানিতে সেদ্ধ করুন অন্তত চার থেকে পাঁচ মিনিট ধরে সেদ্ধ করতে হবে এরপর তাতে দেড় চা চামচ জিরা বীজ যুক্ত করতে হবে এবং প্রয়োজন মতো সামান্য পানি দিয়ে মিশ্রণটি ভালো করে নাড়াতে হবে লেবুর রস মিশিয়ে নিন এবং আপনার স্বাস্থ্যকর পানীয়টি তৈরি হয়ে গেল

ব্যবহার করবেন কীভাবে: প্রতিদিন সকালে এই জুস পান করলে আপনি সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন। ফ্রিজে রেখেও এই জুস সংরক্ষণ এবং ঠাণ্ডা করা যেতে পারে। এই জুসটি খুবই উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন এবং সহজ রেসিপিতে তৈরি যার মাধ্যমে বাধাকপি এবং আদার ক্ষমতাশালী উপকার পাওয়া সম্ভব। উপভোগ করুন পানীয়টি! সূত্র: বোল্ডস্কাই

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>