যে কারণে প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট খালি পায়ে হাঁটবেন

প্রকৃতির সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপনের চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে? সমুদ্রের ধারে অথবা সবুজ ঘাসের ওপর খালি পায়ে হাঁটা আপনার মনকে ভালো করে দিতে পারে, এতে আপনার শরীর থাকবে সতেজ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট খালি পায়ে হাঁটা শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। অন্তত ৫ মিনিট খালি পায়ে হাঁটলে কী উপকার হয়- এই বিষয়ে জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি ফুড টিম ডটকম।

ভারসাম্য রক্ষা পায়:
জুতা পায়ে সবসময় হাঁটলে দেহের ভারসাম্য নষ্ট হয়। যদি খালি পায়ে হাঁটা হয় তবে পায়ের পেশি ভালোমতো কাজ করে এবং দেহের ভারসাম্য রক্ষা হয়। এটি দেহের অঙ্গ বিন্যাসকে সঠিক রাখতেও সাহায্য করে।

অঙ্গ প্রতঙ্গ ভালো রাখে:
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত খালি পায়ে হাঁটলে পায়ের পাতা, শিরা-উপশিরা, গোড়ালি ইত্যাদি অঙ্গের শক্তি বৃদ্ধি পায়। ক্রনিক পেশির ব্যথা এবং জয়েন্টে ব্যথা কমে। হাঁটুর ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে খালি পায়ে হাঁটা।

শক্তি বাড়ায়:
নিয়মিত খালি পায়ে হাঁটলে পেশির শক্তি বৃদ্ধি পায়। প্রথমে হাঁটতে গিয়ে একটু অস্বস্তি অনুভব হলেও কয়েকদিন এভাবে হাঁটলে পেশিগুলো ভালোভাবে কাজ করে এবং পেশির শক্তি বাড়তে থাকে।

মানসিক চাপ দূর করে:
অনেকেই মনে করেন পৃথিবীর মাটি- যেখানে ঘাস, লতাগুল্ম ইত্যাদি থাকে সেগুলোর স্পর্শ যদি পায়ের পাতা পায় তাহলে মন চনমনে হয়। তবে আমরা জুতা পায়ে হেঁটে এই অনুভূতি থেকে নিজেদের বিছিন্ন করে ফেলি। খালি পায়ে হাঁটলে প্রকৃতির অফুরান প্রাণশক্তি আপনাকেও স্পর্শ করতে পারে এবং এতে আপনার মানসিক চাপ কিছুটা হলেও দূর হবে।

তবে এসব উপকার পেতে অনেকক্ষণ খালি পায়ে হাঁটার দরকার নেই, কেবল নিয়মিত পাঁচ মিনিট হাঁটলেই হবে। তাই যদি সম্ভব হয়, নিয়ম করে খালি পায়ে হাঁটুন, মাত্র ৫ মিনিট।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>