চীনা রসুনে আতঙ্ক, বুঝে শুনে খান !

ঝকঝকে পরিস্কার রসুন দেখছেন। আহ্লাদিত হবেন না। বাজার ছেয়ে গিয়েছে চিনা রসুনে। ‌যা খেলেই শরীরে বাসা বাঁধতে পারে মরণ রোগ।

গবেষনা বলছে, চীনে যে রসুন উৎপাদিত হয়, তারমধ্যে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ পাওয়া যায়। এছাড়া, চীনে উৎপাদিত রসুনে বেশিমাত্রায় মিথাইল ব্রোমাইড ছাড়াও রয়েছে সিসা ও সালফাইড। গবেষকরা বলছেন, শরীরে শ্বাসতন্ত্র ও কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকেও বিকল করে দেয় এই রসুন। এছাড়া, রসুনকে ক্রেতাদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে ক্লোরিন ব্লিচ করা হয়। মূলত, রসুনের গায়ের কালো ছোপ দূর করার ক্ষেত্রে ব্লিচ করা হয়।এটাই মারাত্মক ক্ষতি করে।

আর এই পদার্থগুলি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। অন্যদিকে, চীন বিভিন্ন দেশে রসুন রপ্তানি করার সময় রাসায়নিক স্প্রে করে। রসুনে যাতে গেজ না ধরে, সেজন্য জাহাজে ওঠানোর আগে রাসায়নিক স্প্রে করতে হয়।

তাই, বাজারে ঝকঝকে দাগবিহীন রসুন দেখেই সতর্ক হন। এই সুন্দর রসুন হতে পারে চীনা। আমদানিকৃত চীনা রসুন আয়তনে এক হলেও, ওজনে যথেষ্ট হালকা। রসুন যাতে পচে না যায়, সেজন্য পানি বের করে নেওয়া হয়, তাই চীনা রসুন ওজনে যথেষ্ট হালকা। এছাড়া, চীনা রসুনের শিকর বাকরও থাকে না। সূত্র: জি নিউজ

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

ডায়াবেটিস রুখতে সপ্তাহে ৪টি ডিমই যথেষ্ট!

খুব কম লোকই আছেন যারা ডিম খেতে পছন্দ করেন না। তবে জরিপ করলে ডিমের ভক্তের সংখ্যা বেশি হবে, এটা নিশ্চিত। দেহের প্রয়োজনীয় শক্তি ধরে রাখতে প্রতিদিন সকালে নাস্তার টেবিলে তাদের প্রথম পছন্দ ডিম। ঝটপট খাবার তৈরিতেও ডিমের ভূমিকা অনন্য। এতো গুণ সম্পন্ন ডিম খেতে যারা ভালোবাসেন তাদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে ইউনিভার্সিটি অফ ইস্টার্ন ফিনল্যান্ডের গবেষকরা। আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিকাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত এই সমীক্ষায় জানানো হয়েছে, প্রতিদিন ডিম খেলে টাইপ-টু ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা উল্লেখযোগ্যহারে কমে। তবে টাইপ টু-ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৩৭ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে সপ্তাহে ৪টি ডিম খাওয়াই যথেষ্ট!

বর্তমানে সারা বিশ্বে ব্যাপক হারে বাড়ছে টাইপ টু-ডায়বেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা। গবেষকরা ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৯ সালের মধ্যে ৪২ থেকে ৬০ বছর বয়সী ২,৩৩২ জন মানুষের খাদ্যাভ্যাসের ওপর সমীক্ষা চালিয়েছিলেন। একাধারে ১৯ বছর ফলোআপে দেখা গেছে তাদের মধ্যে মাত্র ৪৩২ জন টাইপ টু-ডায়বেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন। গবেষকরা দেখেছেন ডিম খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কম থাকে। যার ফলে টাইপ টু-ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায়। তবে গবেষক দলের ডা. তিওয়ারি ডিম খাওয়ার অভ্যাসের সঙ্গে শারীরিক কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি, ধুমপান এড়িয়ে চলা, ফল ও শাকসবজি বেশি খাওয়ার অভ্যাসের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>