পুরুষের শক্তিশালী পেশী গঠনের দারুণ কিছু উপায় জেনে নিন

বর্তমানে পুরুষদের সাজ পোশাক থেকে বেশি প্রাধান্য পায় ফিগার, অর্থাৎ সুন্দর দেহের অধিকারী মানেই আকর্ষনীয় পুরুষ। প্রত্যেক পুরুষই যে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হন তা ঠিক নয়। এমন অনেক পুরুষ আছেন যারা অনেক বেশি রোগা হয়ে থাকেন। তারা অস্বাভাবিক কম স্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে থাকেন। আপনি যদি এমনই একজন পুরুষ হয়ে থাকেন আর গড়ে তুলতে চান স্বাস্থ্যসম্মত পেশী তাহলে জেনে কিছু পদক্ষেপের কথা যেগুলো আপনাকে স্বাস্থ্যকর পেশী গঠনে সহায়তা করে থাকবে।

অনবরত খাবার খান: আপনি যদি পেশীকে দৃঢ় করতে চান তাহলে অনবরত খাবার খেতে থাকুন। এর মধ্যে প্রোটিন, আমিষ, শর্করা এবং চর্বি জাতীয় খাবার বেশি করে খান। এছাড়া প্রতিদিন ৩০০-৬০০ ক্যালরিযুক্ত খাবার খান। পাশাপাশি মিষ্টি জাতীয় খাবারও বেশি করে খেতে পারেন।

ভার উত্তোলন ব্যায়াম করুন: এমনও হতে পারে যে অতিরিক্ত খাবার খেলে আপনার শরীরের আভ্যন্তরীন শক্তি অর্জিত হচ্ছে, শরীরের পুষ্টি পূরণ হচ্ছে কিন্তু আপনার পেশীর তেমন কোনো উন্নতি হচ্ছে না শুধু আপনার তলপেট অনেক বেশি ভারী হয়ে যাচ্ছে।

সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন: এর জন্য আপনাকে প্রতিদিনের খাবার থেকে পুষ্টি উপাদান, ভিটামিন এবং মিনারেল গ্রহণ করতে হবে। তবে আপনি যদি কোনো ধরনের শারীরিক ব্যায়াম করে থাকেন তাহলে আপনাকে অতিরিক্ত কিছু সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রোটির পাউডার ব্যবহার করতে পারেন।

বেশি করে মাংস খান: মাংসে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট, প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালরি আছে যেগুলো দেহে শক্তি যোগাতে সাহায্য করবে এবং পেশী গঠনে সহায়তা করবে। এছাড়া স্বাস্থ্যকর পেশী গঠনে প্রতিদিন ৫০০-১০০০ ক্যালরি প্রয়োজন যা দেহের মেটাবলিক হার বাড়িয়ে দেবে। তাই এর জন্য বেশি পরিমাণে গরুর মাংস, খাসির মাংস এবং ডিম দুধ জাতীয় খাবার খান।

এমন ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আপনাকে অবশ্যই নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি ভার উত্তোলন ব্যায়ামটি করতে পারেন। এতে করে আপনার ক্ষুধা বাড়বে এবং আপনি শারীরিকভাবে ফিট হয়ে উঠবেন। সূত্র: এইচবি

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস।

মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

ডায়াবেটিস রুখতে সপ্তাহে ৪টি ডিমই যথেষ্ট!

খুব কম লোকই আছেন যারা ডিম খেতে পছন্দ করেন না। তবে জরিপ করলে ডিমের ভক্তের সংখ্যা বেশি হবে, এটা নিশ্চিত। দেহের প্রয়োজনীয় শক্তি ধরে রাখতে প্রতিদিন সকালে নাস্তার টেবিলে তাদের প্রথম পছন্দ ডিম। ঝটপট খাবার তৈরিতেও ডিমের ভূমিকা অনন্য। এতো গুণ সম্পন্ন ডিম খেতে যারা ভালোবাসেন তাদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে ইউনিভার্সিটি অফ ইস্টার্ন ফিনল্যান্ডের গবেষকরা। আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিকাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত এই সমীক্ষায় জানানো হয়েছে, প্রতিদিন ডিম খেলে টাইপ-টু ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা উল্লেখযোগ্যহারে কমে। তবে টাইপ টু-ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৩৭ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে সপ্তাহে ৪টি ডিম খাওয়াই যথেষ্ট!

বর্তমানে সারা বিশ্বে ব্যাপক হারে বাড়ছে টাইপ টু-ডায়বেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা। গবেষকরা ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৯ সালের মধ্যে ৪২ থেকে ৬০ বছর বয়সী ২,৩৩২ জন মানুষের খাদ্যাভ্যাসের ওপর সমীক্ষা চালিয়েছিলেন। একাধারে ১৯ বছর ফলোআপে দেখা গেছে তাদের মধ্যে মাত্র ৪৩২ জন টাইপ টু-ডায়বেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন।

গবেষকরা দেখেছেন ডিম খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কম থাকে। যার ফলে টাইপ টু-ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায়। তবে গবেষক দলের ডা. তিওয়ারি ডিম খাওয়ার অভ্যাসের সঙ্গে শারীরিক কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি, ধুমপান এড়িয়ে চলা, ফল ও শাকসবজি বেশি খাওয়ার অভ্যাসের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>