গরম চা-কফি খেয়ে জিভ পুড়ে গেছে? জেনে নিন কি করবেন!

চা-কফি বা গরম খাবার খেতে গিয়ে অসতর্কতাবশত অনেক সময় জিহ্বা পুড়ে যায়, এটা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। আর পুড়ে যাওয়ার পর জিহ্বা জ্বালাপোড়া করে এবং সহজে কমতেও চায় না। এ থেকে অনেক সময় মুখে শুকনোভাব, পানিশূন্যতা ইত্যাদি তৈরি হয়। দেখা দেয় অস্বস্তি। এরকম পরিস্থিতিতে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করে মিলতে পারে সাময়িক স্বস্তি।

কফি-চা পানে যদি জিহ্বা পুড়ে যায় তাহলে সাথে সাথে ঠান্ডা পানি মুখে নিয়ে কুলি করুন। এটা কয়েকবার করতে হবে। আক্রান্ত স্থানে সরাসরি বরফের টুকরো লাগানো যেতে পারে। পাশাপাশি মুখের মধ্যে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে কুলিকুচি করা যেতে পারে। এভাবে সারা দিন কয়েকবার করা যেতে পারে। আক্রান্ত স্থানে মধু লাগাতে পারেন কারণ মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও প্রদাহরোধী উপাদান। এতে জ্বালাপোড়াভাব ও প্রদাহ কমবে। পাশাপাশি এটি পরবর্তী সময়ে মুখে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি প্রতিহত করবে।

অ্যালোভেরা যে কোনো প্রকার ব্যথা কমাতে সহায়ক। জিহ্বা বা তালুর ক্ষতস্থানে লাগান এবং জিহ্বার ভেতরে একটি ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা ভাব আনবে। অ্যালোভেরা জেল মুখের মধ্যে ২৫ মিনিট রেখে দিতে হবে। দিনে কয়েকবার এটি করা যেতে পারে। মুখ দিয়ে শ্বাস নিন জিহ্বা পুড়ে গেলে। এতে জিহ্বায় শীতলতা পাবেন এবং পোড়া ভাব দ্রুত সেরে উঠবে।

যথাসম্ভব ঠান্ডা জিনিস খাবেন, জিহ্বা পুড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে দই খুব উপকারী। এটি দ্রুত শীতলতা প্রদান করে। ফাইবার বা আঁশ জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত যা, পোড়ার ওপর পাতলা প্রলেপ তৈরি করে যা থেকে মুখের জ্বালা রোধ হয়। তবে এতেও যদি ব্যথা না কমে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কোনভাবেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনও অয়েনমেন্ট ব্যবহার করা যাবে না।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস।

মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

ডায়াবেটিস রুখতে সপ্তাহে ৪টি ডিমই যথেষ্ট!

খুব কম লোকই আছেন যারা ডিম খেতে পছন্দ করেন না। তবে জরিপ করলে ডিমের ভক্তের সংখ্যা বেশি হবে, এটা নিশ্চিত। দেহের প্রয়োজনীয় শক্তি ধরে রাখতে প্রতিদিন সকালে নাস্তার টেবিলে তাদের প্রথম পছন্দ ডিম। ঝটপট খাবার তৈরিতেও ডিমের ভূমিকা অনন্য। এতো গুণ সম্পন্ন ডিম খেতে যারা ভালোবাসেন তাদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে ইউনিভার্সিটি অফ ইস্টার্ন ফিনল্যান্ডের গবেষকরা। আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিকাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত এই সমীক্ষায় জানানো হয়েছে, প্রতিদিন ডিম খেলে টাইপ-টু ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা উল্লেখযোগ্যহারে কমে। তবে টাইপ টু-ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৩৭ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে সপ্তাহে ৪টি ডিম খাওয়াই যথেষ্ট!

বর্তমানে সারা বিশ্বে ব্যাপক হারে বাড়ছে টাইপ টু-ডায়বেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা। গবেষকরা ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৯ সালের মধ্যে ৪২ থেকে ৬০ বছর বয়সী ২,৩৩২ জন মানুষের খাদ্যাভ্যাসের ওপর সমীক্ষা চালিয়েছিলেন। একাধারে ১৯ বছর ফলোআপে দেখা গেছে তাদের মধ্যে মাত্র ৪৩২ জন টাইপ টু-ডায়বেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন।

গবেষকরা দেখেছেন ডিম খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কম থাকে। যার ফলে টাইপ টু-ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায়। তবে গবেষক দলের ডা. তিওয়ারি ডিম খাওয়ার অভ্যাসের সঙ্গে শারীরিক কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি, ধুমপান এড়িয়ে চলা, ফল ও শাকসবজি বেশি খাওয়ার অভ্যাসের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>