প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া? জেনে নিন চিকিৎসকের পরামর্শ

প্রস্রাবে সংক্রমণ নারীদেরই বেশি হয়ে থাকে। প্রস্রাবের সময় অস্বস্তি, তলপেটে ব্যথার সঙ্গে প্রায় সব নারীই পরিচিত। প্রস্রাবে সংক্রমণ হলে জ্বালাপোড়া ও অস্বস্তির সঙ্গে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, তলপেটে ব্যথা বা জ্বর থাকতে পারে। আবার অনেকের এসব উপসর্গ না-ও থাকতে পারে। তবে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুয়ায়ী সঠিক মেয়াদে ও সঠিক মাত্রায় সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করতে হবে। আর যাদের ঘন ঘন সংক্রমণ হয় তারা দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা নিতে পারেন। নারীদের প্রস্রাবের জ্বালাপোড়ার বিষয়ে যুগান্তরে বিভিন্ন বিষয় জানিয়েছেন অ্যাপোলো হাসপাতালের গাইনি কনসালটেন্ট সোনিয়া মুখার্জি।

ডা. সোনিয়া মুখার্জি বলেন, প্রস্রাবের জ্বালাপোড়ার সঙ্গে বেশিরভাগ নারীই পরিচিত। বিশেষ করে মধ্যবয়সী ও বয়স্ক নারীদের প্রস্রাবে জ্বালাপোড়ার সমস্যা বেশি হয়ে থাকে। প্রস্রাবে সংক্রমণ সন্দেহ হলে অবশ্যই পরীক্ষা করা উচিত এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। যাদের ঘন ঘন সংক্রমণ হয় তারা দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা নিতে পারেন। তিনি বলেন, মাসিকের সময়, অধিক সময় নেপকিন ব্যবহার, সঙ্গীর প্রস্রাবে সংক্রমণ, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াও বিভিন্ন কারণে নারীদের প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া হতে পারে। এক্ষেত্রে অবশ্যই সাবধান হতে হবে। সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই প্রচুর পানি পান করতে হবে।

প্রস্রাবে সংক্রমণ কেন হয়
জরায়ুমুখের প্রদাহ, যোনিপথে ছত্রাক সংক্রমণ বা ক্ল্যামাইডিয়ার মতো জীবাণু সংক্রমণের কারণে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হতে পারে। এছাড়া তলপেটে ব্যথা, মাসিকের সময় ব্যথা, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, সাবান বা কসমেটিক বা প্যাডে অ্যালার্জিসহ বিভিন্ন কারণে প্রস্রাবে সংক্রমণ হতে পারে। বারবার সংক্রমণ হলে ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যা বা পাথর, মূত্রথলিতে কোনো সমস্যা আছে কি না দেখে নিন।

প্রস্রাবে সংক্রমণ থেকে বাঁচতে যে বিষয়গুলোর দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

মাসিকের সময়: মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথা হতে পারে। এ সময় প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া হতে পারে। তাই মাসিক চলাকালীন প্রচুর পানি পান করতে হবে।

স্যানিটারি ন্যাপকিন: স্যানিটারি ন্যাপকিন অধিক সময় (৭ ঘণ্টার অধিক) ব্যবহারের ফলে অ্যালার্জি ও প্রস্রাবে সংক্রমণ হতে পারে। এজন্য অধিক সময় স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

সঙ্গীর সঙ্গে মেলামেশা: সঙ্গীর সঙ্গে মেলামেশার আগে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে আপনার সঙ্গীর প্রস্রাবে সংক্রমণ হয়েছে কি না। যদি তা হয়ে থাকে তবে অবশ্যই মেলামেশা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ সঙ্গীর প্রস্রাবে সংক্রমণ হলে তা আপনার হতে পারে।

প্রচুর পানি পান করা: প্রস্রাবে সংক্রমণ থেকে বাঁচতে হলে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। প্রস্রাবে সংক্রমণ থেকে বাঁচতে বিশুদ্ধ পানি পান করা জরুরি।

আমিষ নয় শাক-সবজি খাওয়া: মাসিক চলাকালীন আমিষ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এ সময় আমিষের বদলে শাক-সবজি খেতে হবে। সূত্র: যুগান্তার

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস।

মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>