তরুণদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বুঝবেন যেভাবে ! জেনে রাখুন কিছু পদ্ধতি !

কিছু রোগ যা এক সময় বয়স্কদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল; তবে এখন তা যে কোনো বয়সের মানুষকেই আক্রান্ত করছে। হার্টের রোগ সেগুলোর মধ্যে অন্যতম। এখন যে কোনো বয়সের মানুষই হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন। একজন সুস্থ মানুষও হঠাৎ করে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন। এর নানা কারণ থাকতে পারে। নিয়মিত শরীরচর্চা করে বা সুস্থ জীবনযাত্রা করেও অনেক সময় এর প্রতিরোধ সম্ভব নয়। অনেক সময়ে লুকানো কয়েকটি ফ্যাক্টর এক্ষেত্রে কাজ করে। মধ্য ৩০-এ হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে যে বিষয়গুলো, তা কোনো মতেই এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। বয়স বাড়লে তা আরও মারাত্মক আকার নিতে পারে। কোন লক্ষণ দেখে বুঝবেন হার্টের রোগের ঝুঁকি আছে, তা জেনে নিন।

ক্লান্তি : আপনার কি সব সময় ক্লান্ত লাগে? অনেকক্ষণ ঘুমানো বা বিশ্রাম নেয়ার পরও নিজেকে ফ্রেশ মনে হয় না? সারা দিনের ক্লান্তি আপনাকে তাড়া করে বেড়ায়, যার ফলে আপনি কাজে মন দিতে পারেন না? এমন হলে তা হালকাভাবে নেবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

দমে ঘাটতি : একটু বেশি খাটনি বা শারীরিক কসরত করলেই কি দমে ঘাটতি হয়? যদি এমনটা নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বুকে ব্যথা : কামড় দেয়ার মতো বুকে ব্যথা অনুভব করেন? বুকের ঠিক মাঝে এ অসহ্য ব্যথা কখনও হয়? এর পাশাপাশি কোনো একটি হাতে ব্যথা হয়? এমন হলে দেরি করবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্থূলতা : জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন হলে স্বাস্থ্যের নানা পরিবর্তন হয়। বাজারের খাবার, রেডি করা খাবার ও কম শারীরিক কসরত শরীরকে মোটা করে দেয়। এ থেকে ডায়াবেটিস, হাই ব্লাড প্রেসার থেকে শুরু করে হৃদরোগের আশংকা কম বয়সে বেড়ে যায়।

উদ্বেগ : কোনো একটি ঘটনা বা অনেক ঘটনা সম্পর্কে মনের মধ্যে উদ্বেগ বহুদিন ধরে থাকলে হার্টের অসুখ হওয়া অস্বাভাবিক ঘটনা নয়।

ঘুমের ঘাটতি : জীবনে নানা সমস্যা, কর্তব্য পূরণের চাপ, কাজের চাপ ইত্যাদি নানা কিছুর মধ্য দিয়ে আমাদের যেতে হয়। কেউ কেউ খুশি মনে এসব করেন, কারও ক্ষেত্রে এসবে অবসাদ ও দুশ্চিন্তা বেড়ে যায়। এসবই হার্টের গোলমাল বাঁধায়।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>