শীতের দিন বাতের ব্যথা কমানোর পদ্ধতি !

Share This
Tags

যাদের আর্থাইটিস বা বাতের ব্যথা আছে শীতের সময় তাদের কষ্ট আরো বেড়ে যায় ।এই সময়ে কারো কারো ব্যথা এতটাই অসহনীয় হয়ে ওঠে যে, কোমর, হাঁটু, কনুই, ঘাড় কিংবা গোড়ালির ব্যথায় রীতিমতো কাবু হয়ে পড়েন।বিশেষ করে বয়স্করা এ ধরনের সমস্যায় বেশি ভোগেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত ব্যয়াম আর সঠিক খাদ্য তালিকার মাধ্যমে শীতের সময়েও বাতের ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

যাদের বাতের সমস্যা আছে তাদের ঠাণ্ডা যাতে না লাগে- এ ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত। একারণে আবহাওয়া একটু ঠাণ্ডা হলেই বাইরে বের হবার সময় গরম পোশাক ব্যবহার করুন। এসময় গলা, কান , মাথা যাতে ভালভাবে ঢাকা থাকে সেদিকেও লক্ষ্য রাখাটা জরুরি। বাইরে ঠাণ্ডা থাকলে ঘরেই ব্যয়ামের ব্যবস্থা করুন। নিয়মিত ব্যায়াম বাতের ব্যথা কমাতে অনেকখানি সাহায্য করবে। বাতের ব্যথা কমাতে ভিটামিন ডি বেশ কার্যকরী। সুর্যের আলো ভিটামিন ডি’য়ের প্রাকৃতিক উৎস। দিনে একবার হলেও সূর্যের আলো গায়ে লাগান। এছাড়া কিছু কিছু খাবার যেমন- ডিম, দুধ, মাছের তেল, মাশরুম খেতে পারেন। এসব সম্ভব না হলে ভিটামিন ডি ট্যাবলেটও খেতে পারেন।

শীতকালে ঠাণ্ডা পানি নয়, হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করুন। ব্যথা কমাতে হট কিংবা আইস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। প্রথমে আক্রান্ত স্থানে বিশ মিনিট গরম প্যাক চেপে রাখুন। তারপর বিশ মিনিট ঠাণ্ডা প্যাক ব্যবহার করুন। যদি এত সময় ঠাণ্ডা এবং গরম থেরাপি দেওয়া সম্ভব না হয় তাহলে সময়ের পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে আনতে পারেন। তবে দিনে একবার এই থেরাপি ব্যবহার করলে অনেকখানি আরাম পাবেন।

কাজু, পেস্তাবাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন। এছাড়া সবুজ শাক, সবজি ,গ্রিন টি – এগুলো বাতের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। অনেক সময় ম্যাসাজ করলেও ব্যথা কিছুটা অপশম হয়। সূত্র : এভরিডেহেলথ, জি নিউজ।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস।

মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

ডায়রিয়া হলে কি ওষুধ খাবেন? জেনে নিন চিকিৎসকের পরামর্শ!

ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হলে আমরা অনেকে চিন্তায় পড়ে যাই। অনেকে আবার ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে পায়খানা ঠেকাতে ফার্মেসি থেকে অযাচিত ওষুধ খাওয়া নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। এটি মোটেই ঠিক নয়। চিকিৎসকরা মনে করেন ডায়রিয়া হলে যে পানি ও লবণ শরীর থেকে বেরিয়ে যায়, সেটা খাওয়ার স্যালাইন দিয়ে পূরণ করলেই চলবে। বেশির ভাগ ডায়রিয়া নিজে থেকেই সেরে যায়। ওষুধ খাওয়ার কোনো প্রয়োজন নাই।

সাধারণ ডায়রিয়ায় কোনো ওষুধ না খেয়ে বিশ্রাম নিন, বারবার খাওয়ার স্যালাইন বা ডাবের পানি পান করুন, বেশি করে তরল খান। ডায়রিয়া হলে শুধুমাত্র খাবার স্যালাইন খেলেই হবে। খাবার স্যালাইন কিনে খাওয়া যেতে পারে। আর না হয় ঘরে হাফ লিটার পানির মধ্যে এক মুঠো গুড় ও এক চিমটি লবণ দিয়ে স্যালাইন বানিয়ে নিন। অ্যান্টিমটিলিটি ওষুধ খেলে অন্ত্রের চলন কমে যায়, ফলে বারবার টয়লেটে যাওয়ার প্রবণতা কমে। কিন্তু এটি ডায়রিয়া সারাতে সাহায্য করে -এমন কোনো প্রমাণ নেই। বাজারে ডায়রিয়া বন্ধ করার কিছু ওষুধ প্রচলিত আছে। যেমন লপেরামাইড, কোডিন-জাতীয় ওষুধ। অনেকে আবার সিপ্রোফ্লক্সাসিন বা অ্যাজিথ্রোমাইসিন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে ফেলেন। ফ্লাজিল বা মেট্রোনিডাজলও খুব প্রচলিত। কিন্তু মনে রাখবেন, প্রয়োজন ছাড়া এগুলো খাওয়া ঠিক নয়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>