প্রতিদিনের যে ১০ অভ্যাস আপনার শিরদাঁড়ার ক্ষতি করছে!

আই টি সেক্টরে বড় চাকরি করে বাদল। ঝাঁ চকচকে কেরিয়ার, থ্রিবিএইচকে ফ্ল্যাট, আইফোন, বিলাসবহুল গাড়ি সব কিছু নিয়ে বেশ পরিপূর্ণ জীবন তাঁর। শুধু জুত নেই শরীরটায়। কিছুদিন আগেই শিরদাঁড়ায় জটিল সমস্যা ধরা পড়েছে। কেন এমনটা হল বলুন তো? আপনারও কি রোজ পিঠে, কাঁধে ব্যথা হয়? আমাদের রোজকার কিছু খুব সাধারণ অভ্যাসই ডেকে আনছে বিপদ। জেনে নিন কোন অভ্যাসগুলোর কারণে শিরদাঁড়ার সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন।

এখন সময়ের অভাবে আমরা অধিকাংশ কাজই নিজেদের ফোন থেকেই সেরে ফেলতে চাই। তা ছাড়াও চ্যাট, হোয়াটসঅ্যাপে সারা দিন ব্যস্ত থাকেন অনেকেই। সারা দিনের অনকটা সময়ই আমরা মাথা ঝুঁকিয়ে ফোনে চোখ রাখি। এতে ক্ষতি হচ্ছে শিরদাঁড়ার।

আপনাকে কি সারা দিন বসে কাজ করতে হয? বছরের পর বছর এ ভাবে কাজ করতে করতে শিরদাঁড়ার সমস্যা হতে বাধ্য। আপনাকে কি কাজের প্রয়োজনে খুব বেশি সময় ড্রাইভ করতে হয়? দীর্ঘ সময় এক ভাবে বসে ড্রাইভ করলে শিরদাঁড়ার সমস্যা হতে পারে। * যদি কাজের চাপে পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেন, স্ট্রেস বাড়ে, তাহলেও শিরদাঁড়ায় চাপ পড়তে পারে।

আপনি যে ম্যাট্রেসের রাতে ঘুমোন তা কি ১০ বছরের বেশি পুরনো? বেশি দিন ব্যবহার করতে করতে ম্যাট্রেস খারাপ হয়ে যায়। যার ফলে শিরদাঁড়ার সমস্যা হতে পারে। অতিরিক্ত ভারী ব্যাগ বা ল্যাপটপ ব্যাগ নিয়মিত বইলে, কাঁধে চাপ পড়ে শিরদাঁড়ার সমস্যা হতে পারে। নিয়মিত হিল পরার অভ্যাস বা জুতো যদি আরামদায়ক না হয়, তাহলে শিরদাঁড়ায় চাপ পড়ে সমস্যা হতে পারে। ভারী কিছু তুলতে গেলেও অনেক সময় শিরদাঁড়ার ওপর চাপ পড়তে পারে। যা থেকে পরে বড়সড় সমস্যা হতে পারে। যদি কিছু তুলতে কষ্ট হয় তাহলে জোর করে তুলবেন না।

বিশ্রামের অভাব হলে যেমন শিরদাঁড়ার সমস্যা হতে পারে, তেমনই অতিরিক্ত বিশ্রাম, আলস্য, শুয়ে বসে থাকার কারণেও শিরদাঁড়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকেই ঘুমনোর সময় খুবই অদ্ভুত ভাবে শোন। পিঠ, কোমর অদ্ভুত ভাবে বেঁকে থাকে। এতে শিরদাঁড়ার ক্ষতি হয়।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস।

মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>