বুকে ব্রণ? জেনে নিন দুইটি কার্যকর উপায়!

মুখের ব্রণের মতো বুকের ব্রণও একটি প্রচলিত সমস্যা। লালচে ভাব, ব্যথা, ফোলা, প্রদাহ , রক্তপাত, ত্বকের সংক্রমণ ইত্যাদি ব্রনের সমস্যায় হয়। বুকের ব্রণ কমাতে কয়েকটি ঘরোয়া উপায়ের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি।

বেকিং সোডা: বেকিং সোডা ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে কাজ করে। ত্বককে নরম, পরিষ্কার ও উজ্জ্বল করে। এর মধ্যে থাকা প্রদাহরোধী উপাদান ব্যথা ও ব্রণের প্রদাহ কমায়। এক চা চামচ বেকিং সোডার মধ্যে সামান্য পানি দিন। উপাদানগুলোকে ভালোভাবে মেশান। একে আক্রান্ত স্থানে লাগান। ১০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে জায়গাটি ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন একবার এই পদ্ধতি ব্যবহার করুন।

লেবু: ব্রণের সঙ্গে লড়াই করতে লেবু ব্যবহার করতে পারেন। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। পাশাপাশি লেবুর মধ্যে থাকা এল অ্যাসকোরবিক এসিডের জন্য এটি  ব্রণকে শুকিয়ে দেয়।

একটি লেবু কেটে আক্রান্ত স্থানে মাখুন। লেবুর রস বুকে ৩০ মিনিট রাখুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধীরে ধীরে ধুয়ে নিন। প্রতিদিন এটি একবার করুন। সমপরিমাণ লেবুর রস ও গোলাপ জল নিন। আক্রান্ত স্থানে এটি লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রাখুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তবে যাদের ত্বক খুব স্পর্শকাতর তারা লেবু ব্যবহার করবেন না।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস।

মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

চোরাবালি কি এবং এর থেকে বাঁচার উপায় জেনে নিন !

চোরাবালির কথা হয়তো অনেকেই শুনেছেন। কিন্তু এই চোরাবালির খপ্পড়ে যারা পড়েছেন কেবল তারাই জানেন এটি কতটা ভয়ংকর।

চোরাবালিতে আটকে গেলে যা করতে হবে : চোরাবালিতে আটকে গেলে একদমই অধৈর্য হওয়া যাবে না। অধৈর্য হয়ে হাত-পা ছোড়াছুড়ি করলে আরও বেশি আটকে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। সবার মনে রাখা উচিত, চোরাবালি কিন্তু পানির চেয়ে অনেক বেশি ঘন। তাই চোরাবালিতে ভেসে থাকা পানির চেয়ে অনেক বেশি সহজ। যদি সঙ্গে কোনও ভারি বস্তু থাকে তাহলে তা ছেড়ে ফেলতে হবে। কারণ ভারি বস্তু আরও বেশি দ্রুত নিচে টেনে নিতে পারে। বেশিরভাগ চোরাবালির গভীরতা কম হয়। খানিকটা ডোবার পর হয়তো পা তলায় আটকে যেতে পারে। যদি তা না হয়, মানে যদি চোরাবালি খুব গভীর হয় তাহলে পুরোপুরি ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে যেমন পানিতে আমরা যেভাবে সাঁতার কাটি, ঠিক সেভাবে নিজের শরীরকে যতটা সম্ভব অনুভূমিক করে ফেলতে হবে। তারপর খুব ধীরে ধীরে সাঁতরে চোরাবালির বাইরে আসার চেষ্টা করতে হবে। সাথে যদি অন্য কোনও ব্যক্তি থাকে তাহলে তাকে বলতে হবে নিরাপদ দূরত্ব থেকে রশি ফেলতে এবং এই রশি ধরে ধীরে ধীরে চোরাবালি থেকে উঠে আসা যাবে।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>