ডায়াবেটিসের রোগীদের হৃদরোগে করণীয় সম্পর্কে বিশিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ জেনে নিন

ডায়াবেটিস হলে হৃদরোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ডায়াবেটিসের রোগীদের হৃদরোগে করণীয় বিষয়ে কথা বলেছেন অধ্যাপক ডা. এম এ রশীদ। বর্তমানে তিনি ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের হৃদরোগ হলে কীভাবে ব্যবস্থাপনা করেন?

উত্তর : যেহেতু ইব্রাহিম কার্ডিয়াক একটি ডায়াবেটিস সমিতির প্রতিষ্ঠান, তাই আমার এখানে যত ডাক্তার কাজ করে, তারা কিন্তু হৃদরোগের সঙ্গে ডায়াবেটিসের ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সম্পূর্ণ জানে। ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রেখে এনজিওগ্রাম করা হয়। ভবিষ্যতেও ডায়াবেটিস যেন নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেটি খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমেই হোক বা ওষুধপত্রের মাধ্যমেই অথবা ইনসুলিন দিয়েই হোক, সেটি সেখানো হয়। ওই পদ্ধতির ভেতরে নিয়ে তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আপনি ওষুধ যতই খান না কেন, আপনাকে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের যদি হৃদরোগের সমস্যা হয় অবশ্যই বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে যাওয়া উচিত। করনারি এনজিওগ্রাম, এনজিওপ্লাস্টি এগুলো নিয়মিত হচ্ছে। এর সঙ্গে সঙ্গে যদি অন্য জটিলতা হয়, যেমন অনেকের হার্ট ব্লক হয়ে যায়,  তাহলে কিছু ব্যবস্থাপনা করা হয়।

ব্লক দুই ধরনের হয়। যদি কনডাকশন ব্লক হয়, তাহলে প্রেসমেকার দিয়ে সমাধান করা যায়। সিআরটিডি বলে বা আইসিডি বলে। এরও কিছু বিশেষ ডিভাইস রয়েছে। এগুলো সবই এখন বাংলাদেশে বিদ্যমান। প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রার অপচয় হতো আগে। এখন প্রায় ৯০ ভাগ লোকই বাংলাদেশের চিকিৎসার প্রতি আস্থাশীল। অনেক সেন্টার এখন বাংলাদেশে বিশ্বমানের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে। তবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিলে আমরা অনেক ভালো থাকব।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা।

হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

চোরাবালি কি এবং এর থেকে বাঁচার উপায় জেনে নিন !

চোরাবালির কথা হয়তো অনেকেই শুনেছেন। কিন্তু এই চোরাবালির খপ্পড়ে যারা পড়েছেন কেবল তারাই জানেন এটি কতটা ভয়ংকর।

চোরাবালিতে আটকে গেলে যা করতে হবে : চোরাবালিতে আটকে গেলে একদমই অধৈর্য হওয়া যাবে না। অধৈর্য হয়ে হাত-পা ছোড়াছুড়ি করলে আরও বেশি আটকে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। সবার মনে রাখা উচিত, চোরাবালি কিন্তু পানির চেয়ে অনেক বেশি ঘন। তাই চোরাবালিতে ভেসে থাকা পানির চেয়ে অনেক বেশি সহজ। যদি সঙ্গে কোনও ভারি বস্তু থাকে তাহলে তা ছেড়ে ফেলতে হবে। কারণ ভারি বস্তু আরও বেশি দ্রুত নিচে টেনে নিতে পারে। বেশিরভাগ চোরাবালির গভীরতা কম হয়। খানিকটা ডোবার পর হয়তো পা তলায় আটকে যেতে পারে। যদি তা না হয়, মানে যদি চোরাবালি খুব গভীর হয় তাহলে পুরোপুরি ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে যেমন পানিতে আমরা যেভাবে সাঁতার কাটি, ঠিক সেভাবে নিজের শরীরকে যতটা সম্ভব অনুভূমিক করে ফেলতে হবে। তারপর খুব ধীরে ধীরে সাঁতরে চোরাবালির বাইরে আসার চেষ্টা করতে হবে। সাথে যদি অন্য কোনও ব্যক্তি থাকে তাহলে তাকে বলতে হবে নিরাপদ দূরত্ব থেকে রশি ফেলতে এবং এই রশি ধরে ধীরে ধীরে চোরাবালি থেকে উঠে আসা যাবে।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>