চাল ধোয়া পানি চুলের জন্য মহৌষধ !

সুন্দর চুল আর ত্বক পেতে শুধু দরকার এক বাটি চাল ধোয়া পানি। সেই জল ফেলে না দিয়ে ত্বক আর চুলের উন্নতির জন্য কাজে লাগান। চাল ধোয়া জল একটু ঘোলাটে রঙের দেখতে হয়। এটার কারণে চালে উপস্থিত স্টার্চ। এই জলের মধ্যে আছে অনেক ভিটামিন এবং নিউট্রিয়েন্টস যা আপনার ত্বক আর চুলের জন্য খুব উপকারী। চুল আর ত্বকের জন্য চাল-ধোয়া জল ব্যবহার করার প্রচলন বহু পুরনো। আসুন দেখে নিন চাল-ধোয়া পানির উপকারিতা এবং তা কীভাবে ব্যবহার করবেন-

চুল পড়া কমায়ঃ চুল পড়া কমাতে চাল-ধোয়া পানির জুড়ি নেই। এতে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড চুল পড়া কমায়। এছাড়াও নতুন চুল গজাতে সাহয্য করে। এছাড়াও এতে ভিটামিন বি‚ সি আর ই আছে যা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। সপ্তাহে অন্তত দু‘বার করে এই পানি দিয়ে মাথা ধুতে হবে।

চুল নরম ও চকচকে করেঃ রুক্ষতার কারণে চুল মলিন দেখায়। চুলে শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনার না লাগিয়ে চাল ধোয়া পানি লাগান। অবশ্য চুল খুব বেশি ড্রাই হলে কন্ডিশনরও লাগাতে হবে। এর ফলে চুলের কোয়ালিটি ভাল হবে‚ চুল নরম ও চকচকে হবে এবং চুল মজবুত হবে।

খুসকি কমায়ঃ চুল মজবুত করার সঙ্গে সঙ্গে চুলের খুসকিও দূর হয়। তবে এর জন্য একদিন অন্তর চাল ধোয়া পানি দিয়ে চুল ধুতে হবে।

হেয়ার ড্যামেজ কন্ট্রোল করেঃ চাল ধোয়া পানি সারফেস ফ্রিকশন কমায় ফলে চুলের ইলেকট্রিসিটি বাড়ে। এছাড়াও এই পানিতে এক ধরণের কার্বোহাইড্রেট থাকে যার নাম ইনোসিটল যা চুলের ড্যামেজ রোধ করে। আর চাল ধোয়া পানিতে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড চুলের গোড়া শক্ত ও মজবুত করে।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

 

চোরাবালি কি এবং এর থেকে বাঁচার উপায় জেনে নিন !

চোরাবালির কথা হয়তো অনেকেই শুনেছেন। কিন্তু এই চোরাবালির খপ্পড়ে যারা পড়েছেন কেবল তারাই জানেন এটি কতটা ভয়ংকর।

চোরাবালিতে আটকে গেলে যা করতে হবে : চোরাবালিতে আটকে গেলে একদমই অধৈর্য হওয়া যাবে না। অধৈর্য হয়ে হাত-পা ছোড়াছুড়ি করলে আরও বেশি আটকে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। সবার মনে রাখা উচিত, চোরাবালি কিন্তু পানির চেয়ে অনেক বেশি ঘন। তাই চোরাবালিতে ভেসে থাকা পানির চেয়ে অনেক বেশি সহজ। যদি সঙ্গে কোনও ভারি বস্তু থাকে তাহলে তা ছেড়ে ফেলতে হবে। কারণ ভারি বস্তু আরও বেশি দ্রুত নিচে টেনে নিতে পারে। বেশিরভাগ চোরাবালির গভীরতা কম হয়। খানিকটা ডোবার পর হয়তো পা তলায় আটকে যেতে পারে। যদি তা না হয়, মানে যদি চোরাবালি খুব গভীর হয় তাহলে পুরোপুরি ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে যেমন পানিতে আমরা যেভাবে সাঁতার কাটি, ঠিক সেভাবে নিজের শরীরকে যতটা সম্ভব অনুভূমিক করে ফেলতে হবে। তারপর খুব ধীরে ধীরে সাঁতরে চোরাবালির বাইরে আসার চেষ্টা করতে হবে। সাথে যদি অন্য কোনও ব্যক্তি থাকে তাহলে তাকে বলতে হবে নিরাপদ দূরত্ব থেকে রশি ফেলতে এবং এই রশি ধরে ধীরে ধীরে চোরাবালি থেকে উঠে আসা যাবে।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>