এখন ধেকে মাত্র ৪০০ টাকায় পাবেন ডায়ালাইসিস

কিডনি রোগীদের প্রতিবার ডায়ালাইসিস করাতে প্রকৃত ব্যয় ২ হাজার ১৯০ টাকা। তবে বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রতিবার ডায়ালাইসিসের জন্য ৩ হাজার টাকা করে ব্যয় করতে হয়। এখন থেকে মাত্র ৪০০ টাকায় এই সেবা দেবে জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট (নিকডু)। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এই তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এম. হাবিবুর রহমান খান জানান, ভারতের স্বাস্থ্যসেবা কোম্পানি সুন্দর মেডিকেইডের সঙ্গে পাবলিক প্রাইভেট পাটনারশিপের ভিত্তিতে জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউটে দেশের দরিদ্র রোগীদের স্বল্পমূল্যে ডায়ালাইসিস সেবা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রতিবার ডায়ালাইসিস করাতে প্রায় ৩ হাজার টাকা ব্যয় করতে হয়। নিকডুতে ডায়ালাইসিস করাতে প্রকৃত ব্যয় ২ হাজার ১৯০ টাকা। এর মধ্যে প্রতিবারের ডায়ালাইসিসে ১ হাজার ৭৯০ টাকা ভর্তুকি দিয়ে দরিদ্র রোগীদের জন্য মাত্র ৪০০ টাকায় উন্নত ডায়ালাইসিস সেবা দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ভারতের হায়দ্রাবাদ ভিত্তিক সুন্দর মেডিকেইড উচ্চ প্রযুক্তির বাইয়োমেডিকেল এবং বাইয়োটেকনোলজি পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করবে। পিপিপির অধীনে কোম্পানিটি ইতোমধ্যেই নিকডুতে ১৫টি এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপন করেছে। দরিদ্র রোগীরা এই দুইটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে স্বল্পমূল্যে কিডনি ডায়ালাইসিস করাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নিকডুতে আরও ৪৫টি মেশিন স্থাপনের অপেক্ষায় আছি। মেশিনগুলো ইতোমধ্যেই ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। পিপিপির অধীনে অধিক সংখ্যক দরিদ্র রোগী স্বল্পমূল্যে সর্বাধুনিক ডায়ালাইসিস চিকিৎসা সুবিধা পাবে। সুন্দর মেডিকেইডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসব মেশিন স্থাপনের জন্য শিগগির ঢাকা সফর করবেন।

এম. হাবিবুর রহমান বলেন, জেলা পর্যায়ে পিপিপির অধিনে স্বাস্থ্য সেবা আরও বাড়াবে সরকার। এতে গ্রামের লোকেরা রাজধানীতে না এসেই আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা পাবে। নিকডুর পরিচালক অধ্যাপক নুরুল হুদা লেলিন বলেন, দেশে ভেজাল খাদ্য খেয়ে এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাত্রাসহ বিভিন্ন কারণে ডায়াবেটিস ও হাই প্রেসারের রোগীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে। বাংলাদেশ কিডনি ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় এক কোটির বেশি মানুষ কিডনি রোগে আক্রান্ত। এদের মধ্যে ১ কোটি ৬০ লাখ রোগীর অবস্থা খুবই নাজুক। তাদের প্রতি সপ্তাহে ডায়ালাইসিস করাতে হয়।

বাংলাদেশ কিডনি ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক হারুন অর রশীদ বলেন, ডায়ালাইসিস হচ্ছে, রক্ত থেকে অনাকঙ্খিত পানি নিঃস্বরনের একটি কৃত্রিম প্রক্রিয়া। একজন কিডনি রোগী নিয়মিত ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে ৫ থেকে ১৫ বছর স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা।

হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

চোরাবালি কি এবং এর থেকে বাঁচার উপায় জেনে নিন !

চোরাবালির কথা হয়তো অনেকেই শুনেছেন। কিন্তু এই চোরাবালির খপ্পড়ে যারা পড়েছেন কেবল তারাই জানেন এটি কতটা ভয়ংকর।

চোরাবালিতে আটকে গেলে যা করতে হবে : চোরাবালিতে আটকে গেলে একদমই অধৈর্য হওয়া যাবে না। অধৈর্য হয়ে হাত-পা ছোড়াছুড়ি করলে আরও বেশি আটকে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। সবার মনে রাখা উচিত, চোরাবালি কিন্তু পানির চেয়ে অনেক বেশি ঘন। তাই চোরাবালিতে ভেসে থাকা পানির চেয়ে অনেক বেশি সহজ। যদি সঙ্গে কোনও ভারি বস্তু থাকে তাহলে তা ছেড়ে ফেলতে হবে। কারণ ভারি বস্তু আরও বেশি দ্রুত নিচে টেনে নিতে পারে। বেশিরভাগ চোরাবালির গভীরতা কম হয়। খানিকটা ডোবার পর হয়তো পা তলায় আটকে যেতে পারে। যদি তা না হয়, মানে যদি চোরাবালি খুব গভীর হয় তাহলে পুরোপুরি ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে যেমন পানিতে আমরা যেভাবে সাঁতার কাটি, ঠিক সেভাবে নিজের শরীরকে যতটা সম্ভব অনুভূমিক করে ফেলতে হবে। তারপর খুব ধীরে ধীরে সাঁতরে চোরাবালির বাইরে আসার চেষ্টা করতে হবে। সাথে যদি অন্য কোনও ব্যক্তি থাকে তাহলে তাকে বলতে হবে নিরাপদ দূরত্ব থেকে রশি ফেলতে এবং এই রশি ধরে ধীরে ধীরে চোরাবালি থেকে উঠে আসা যাবে।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>