এবার ডায়াবেটিস টেস্ট করুন নিজের মোবাইলে!

এক ফোঁটাও রক্ত এখন আর পড়বে না। সুঁচ ফোটাতে হবে না এখন আর। শুধুমাত্র মোবাইল অ্যাপসই বলে দেবে আপনার ডায়াবেটিস আছে কি না, কিংবা আপনার ডায়াবেটিস হলে, তার পরিমাণ এখন কত। ব্রিটিশ বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত এই নতুন অ্যাপ ধীরে ধীরে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এখন থেকে হাতে সুঁচ ফোটানের পালা শেষ। এসে গেছে নতুন অ্যাপ এপিক হেলথ (Epic Health)!

আপনার ডায়াবেটিস ১ হোক বা ২, এই অ্যাপ কাজে লাগবে সবক্ষেত্রেই। রক্তারক্তির কোনও ব্যাপার নেই এখানে। শুধুমাত্র ক্যামেরার লেন্সের ওপর আপনার আঙুলের ডগা রাখুন এবং বেশ কিছু ক্লোজ ছবি তুলে নিন। এই ছবি গুলো থেকেই আপনার হার্ট রেট, তারমাত্রা, রক্তচাপ থেকে শুরু করে রেসপিরেশন রেট কিংবা রক্তে অক্সিজেনের তারতম্য সব কিছুই জানা যাবে। এমন টাই দাবি করছেন গবেষকরা।

অ্যাপের প্রস্তুতকারক ডমিনিক উড বলেন, কোনও কিছু ছেঁড়াফোঁড়া নয়, স্রেফ ননইনভেসিভ টেস্টের মধ্যে দিয়েই যা তথ্য জানার জানা যাবে। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় ধারাবাহিক ভাবে তথ্য জানিয়ে দিতে পারে এই অ্যাপ। উড আরও বলেন, শুধু ডায়াবেটিসের পরিমাণ নির্ধারণই নয়। ডায়াবেটিস আছে কিনা কিংবা ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা রয়েছে কিনা, সে সম্পর্কেও তথ্য দিতে পারে এই অ্যাপ। অন্তত, রোগ হবার আগে সতর্ক হওয়ার একটা সুযোগ দেবে এই এপিক হেলথ মোবাইল অ্যাপ।

এই অ্যাপ রোগীর পালস রেটের তারতম্য পরীক্ষা করতে পারে। পালসের সঙ্গে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণের একটা সম্পর্ক রয়েছে। জীবন যাপনে একটু পরিবর্তন আনলেই পুরোদমে টাইপ ২-এর ডায়াবেটিস রোগী হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন। ইউকে-র ড্যান হাওয়ার্থ বলেন, এক ফোটা রক্তও লাগবে না, চলতি পদ্ধতির বাইরে গিয়ে এই ধরণের ননইনভেসিভ অ্যাপ বেশ আকর্ষণীয়।

তবে এখনই কোনও প্লে স্টোরে এই অ্যাপ মিলছে না। অপেক্ষা করতে হবে এই বছরের শেষ পর্যন্ত। গত তিন বছর ধরে এপিক হেলথ নিয়ে গবেষণা চলেছে। সামনের কয়েকটা মাস চলবে পরীক্ষা বা ক্লিনিকাল ট্রায়াল। তাতে সফল হলেই বাজারে চলে আসবে এপিক হেলথ।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা।

হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

চোরাবালি কি এবং এর থেকে বাঁচার উপায় জেনে নিন !

চোরাবালির কথা হয়তো অনেকেই শুনেছেন। কিন্তু এই চোরাবালির খপ্পড়ে যারা পড়েছেন কেবল তারাই জানেন এটি কতটা ভয়ংকর।

চোরাবালিতে আটকে গেলে যা করতে হবে : চোরাবালিতে আটকে গেলে একদমই অধৈর্য হওয়া যাবে না। অধৈর্য হয়ে হাত-পা ছোড়াছুড়ি করলে আরও বেশি আটকে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। সবার মনে রাখা উচিত, চোরাবালি কিন্তু পানির চেয়ে অনেক বেশি ঘন। তাই চোরাবালিতে ভেসে থাকা পানির চেয়ে অনেক বেশি সহজ। যদি সঙ্গে কোনও ভারি বস্তু থাকে তাহলে তা ছেড়ে ফেলতে হবে। কারণ ভারি বস্তু আরও বেশি দ্রুত নিচে টেনে নিতে পারে। বেশিরভাগ চোরাবালির গভীরতা কম হয়। খানিকটা ডোবার পর হয়তো পা তলায় আটকে যেতে পারে। যদি তা না হয়, মানে যদি চোরাবালি খুব গভীর হয় তাহলে পুরোপুরি ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে যেমন পানিতে আমরা যেভাবে সাঁতার কাটি, ঠিক সেভাবে নিজের শরীরকে যতটা সম্ভব অনুভূমিক করে ফেলতে হবে। তারপর খুব ধীরে ধীরে সাঁতরে চোরাবালির বাইরে আসার চেষ্টা করতে হবে। সাথে যদি অন্য কোনও ব্যক্তি থাকে তাহলে তাকে বলতে হবে নিরাপদ দূরত্ব থেকে রশি ফেলতে এবং এই রশি ধরে ধীরে ধীরে চোরাবালি থেকে উঠে আসা যাবে।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>