ডায়াবেটিস রোগীরা কি পেঁপে খেতে পারবে? কি বলছেন চিকিৎসকেরা!

ডায়াবেটিস হয়েছে শুনলেই ভয় পেয়ে যাই আমরা। মিষ্টি খাবার জীবন থেকে বাদ দিতে বাধ্য হই। চারপাশে এমন বহু মানুষ আছেন, যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন। তাঁদের প্রতিদিনের রুটিনে হাজারো ওষুধ আর নানারকম খাওয়া দাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। শরীর যখন প্রয়োজনীয় পরিমাণে ইনসুলিন নিঃসরণ করতে পারে না। তখন ডায়াবেটিস রোগ শরীরে এসে বাসা বাঁধে। ইনসুলিন অগ্নাশয় থেকে নিঃসৃত এক ধরনের হরমোন, যা শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী শর্করা বা সুগার হজম করাতে এবং জমিয়ে রাখতে সাহায্য করে।

যখন ইনসুলিন নিঃসরণের হার কমে যায়, তখন আমাদের শরীরে ধীরে ধীরে ডায়াবেটিসের মতো অসুখ বাঁধতে শুরু করে। ডায়াবেটিস মানেই সবরকম মিষ্টি খাবারকে বিদায় দিতে হয়। অনেকেই ধারনা করেন যে, মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে ব্লাড সুগারের সমস্যায় আরও বেড়ে যায়। এমন কিছু ফল আছে, যা আমাদের ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। যেমন, পেঁপের কথাই ধরা যাক। পেঁপে ডায়াবেটিসের সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভালো কাজ দেয়।

দেখে নেওয়া যাক পেঁপে কিভাবে কাজ করে ডায়াবেটিসের সমস্যায়ঃ

⇒শর্করার পরিমাণ কম থাকেঃ পেঁপের মধ্যে সুগারের পরিমাণ খুবই কম থাকে। এক কাপ পেঁপেতে ৮.৩ গ্রাম মিষ্টি থাকে। পেঁপে টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোধ করতে দারুণভাবে সাহায্য করে। পেঁপের মধ্যে ‘পাপাইন’ নামক এক ধরনের এনজাইম থাকে, যা শরীরকে ভিতর থেকে নানারকম ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এবং ডায়াবেটিস সহ নানা রোগের থেকে বাঁচায়।

⇒প্রচুর ভিটামিন পাওয়া যায়ঃ পেঁপের মধ্যে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এছাড়াও ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদিও প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। পেঁপে যেহেতু হাইপোগ্লাইকেমিক বা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, সেক্ষত্রে হৃদযন্ত্রের যত্নেও দারুণ কার্যকরী এই ফল।

⇒ফাইবার সমৃদ্ধঃ পেঁপের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা আমাদের ক্ষুদা ভাব দূর করে। আর শরীরও উপকারী উপাদান দ্বারা পরিপুষ্ট হয়ে ওঠে।

⇒সুগার নিয়ন্ত্রন করেঃ পেঁপে আমাদের শরীর থেকে অতিরিক্ত সুগার বের করে দিতে সাহায্য করে। যার ফলে শরীরে ডায়াবেটিসের মতো মরণ রোগ বাসা বাঁধতে পারে না। এছাড়াও জাম, অ্যাভোকাডো, তরমুজ, প্লাম এবং পেয়ারাও ডায়াবেটিস রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই ডায়াবেটিস এর মত রোগকে এখন থেকে আর ভয় না পেয়ে ফল খাওয়া শুরু করুন। তাহলে নিমিষেই দূর হবে ডায়াবেটিস এর মত মরন রোগ।’

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা।

হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

চোরাবালি কি এবং এর থেকে বাঁচার উপায় জেনে নিন !

চোরাবালির কথা হয়তো অনেকেই শুনেছেন। কিন্তু এই চোরাবালির খপ্পড়ে যারা পড়েছেন কেবল তারাই জানেন এটি কতটা ভয়ংকর।

চোরাবালিতে আটকে গেলে যা করতে হবে : চোরাবালিতে আটকে গেলে একদমই অধৈর্য হওয়া যাবে না। অধৈর্য হয়ে হাত-পা ছোড়াছুড়ি করলে আরও বেশি আটকে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। সবার মনে রাখা উচিত, চোরাবালি কিন্তু পানির চেয়ে অনেক বেশি ঘন। তাই চোরাবালিতে ভেসে থাকা পানির চেয়ে অনেক বেশি সহজ। যদি সঙ্গে কোনও ভারি বস্তু থাকে তাহলে তা ছেড়ে ফেলতে হবে। কারণ ভারি বস্তু আরও বেশি দ্রুত নিচে টেনে নিতে পারে। বেশিরভাগ চোরাবালির গভীরতা কম হয়। খানিকটা ডোবার পর হয়তো পা তলায় আটকে যেতে পারে। যদি তা না হয়, মানে যদি চোরাবালি খুব গভীর হয় তাহলে পুরোপুরি ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে যেমন পানিতে আমরা যেভাবে সাঁতার কাটি, ঠিক সেভাবে নিজের শরীরকে যতটা সম্ভব অনুভূমিক করে ফেলতে হবে। তারপর খুব ধীরে ধীরে সাঁতরে চোরাবালির বাইরে আসার চেষ্টা করতে হবে। সাথে যদি অন্য কোনও ব্যক্তি থাকে তাহলে তাকে বলতে হবে নিরাপদ দূরত্ব থেকে রশি ফেলতে এবং এই রশি ধরে ধীরে ধীরে চোরাবালি থেকে উঠে আসা যাবে

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>