নারীদের টাক পড়া রোধ করতে এই পাতাটি সবচেয়ে কার্যকর !

চুলের সমস্যায় নেই এমন নারী খুঁজে বের করা মুশকিল। কারো কারো চুল পড়ে যাচ্ছে আবার কারো টাক পড়ছে আর খুশকির সমস্যাতো নিত্য দিনের। অনেকের চুল আবার রুক্ষ হয়েও যাচ্ছে। চুল মানুষের একটা বড় সৌন্দর্য। প্রতিদিনের কর্মব্যস্ততায়, ধুলো-বালি আর অনিয়মের জন্য চুলের নানাবিধ সমস্যায় ভুগছেন প্রায় ৯৮ ভাগ নারী। আবার কেউ কেউ চুলে আয়রন বা কালারা করেও করছেন চুলের দফারফা। তাই চুলের যত্নে আর নতুন গজানো ও টাক হওয়া থেকে রক্ষা করতে কারি পাতার ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-

হেয়ার টনিক: নারকেল তেলের মধ্যে কারি পাতা দিয়ে জ্বালাতে থাকুন যতক্ষণ না কালো তলানি তৈরি হবে। এই মিশ্রণ চুলের গোড়ায় ভালো করে ঘষে নিন। এক ঘণ্টা রেখে হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই বার এই মিশ্রণ মাথায় লাগান। চুল তাড়াতাড়ি বাড়বে। পেকে যাওয়াও রোধ করতে পারে এই থেরাপি।

হেয়ার মাস্ক: কয়েকটা কারি পাতা বেটে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্ট মাথার তালুতে লাগিয়ে ২০ থেকে ২৫ মিনিট রাখুন। পরে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে এক দিন কারি পাতার মাস্ক লাগালে চুল বাড়বে, কোমল হবে।

কারি পাতার চা: শুনতে অদ্ভুত লাগলেও কারি পাতার চা চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে। কারি পাতা ফুটিয়ে লেবুর রস ও সামান্য চিনি দিন। টানা এক সপ্তাহ এই চা খেয়ে দেখুন। এই চা চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, চুল পাকার হাত থেকেও রেহাই দেয়। এছাড়াও কারি পাতার মধ্যে থাকা প্রোটিন ও বিটা-ক্যারোটিন চুল পড়া রুখতে সাহায্য করে। প্রচুর পরিমাণে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট তালুর আর্দ্রতা বজায় রাখে, খুশকির হাত থেকে রক্ষা করে।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা।

হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>