все займы на карту

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে যেসব পানীয়! নিয়মিত খেতে পারলে চমৎকার উপকার!

অনেকেই আছেন যারা নিয়মিত গ্রিন টি পান করেন। এমনটা করাতে তাদের মস্তিষ্কের স্পিড যে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে, তা বেশ কিছু গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। যদিও আরও বেশ কিছু পানীয় এবং খাবার রয়েছে, যা নিয়মিত খেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা দারুণ ভাবে বৃদ্ধি পায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক, সেসব পানীয় সম্পর্কে-

রেড ওয়াইনঃ রেড ওয়াইন হার্টের যত্নে দারুণ উপকারি একথা সবারই জানা আছে। রেড ওয়াইন ডায়মেনশিয়ার সমস্যাও কমাতে সাহায্য করে। যারা প্রতিদিন দু গ্লাস করে রেড ওয়াইন পান করেন, তাদের শরীরে ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে নানাভাবে সুফল মেলে। কলোম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের করা পরীক্ষায় জানা যায়, যারা নিয়মিত রেড ওয়াইন পান করেন, তাদের ব্রেন পাওয়ার এতটা বৃদ্ধি পায় যে ডিমেনশিয়ার মতো সমস্যা ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

কোকোয়াঃ ব্রিগহ্যাম অ্যান্ড উইমেন্স হসপিটাল-এর একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যারা দৈনিক দুকাপ করে কোকোয়া পান করে থাকেন, তাদের মস্তিষ্ক অনেক বেশি কর্মক্ষম হয়ে ওঠে। আসলে কোকোয়ায় উপস্থিত ফ্ল্যাভোনল ধমনীকে সঠিক ভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। ফলে রক্তের প্রবাহের উন্নতি ঘটার কারণে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

গাজরের রসঃ সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে গাজরের রস শুধুমাত্র চোখ নয়, মস্তিষ্কের কাজের উন্নতিতেও দারুন কাজে আসে। কারণ গাজরের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন, যা এক ধরণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টটি প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

বিটের রসঃ এই পানীয়টি পান করলে শরীরে নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং সারা শরীরে রক্তের প্রবাহ বেড়ে যায়। ফলে ব্রেন আরও কাজ করার ক্ষমতা অর্জন করে। বিটের রস পান করার পরেই ব্রেনের কাজ করার ক্ষমতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের যে অংশ ডিমেনশিয়ার মতো রোগে দ্বারা আক্রান্ত হয়, সেই অংশেরও যত্ন নেয় বিটের রস।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা।

হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

ডায়াবেটিস ঠেকাতে চান? তাহলে ভাত রান্না করুন এই নতুন পদ্ধতিতে !

বর্তমানে ডায়াবেটিস বেশ প্রচলিত একটি রোগ। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মানুবর্তী জীবন এবং ওষুধের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তাই যাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেশি ডাক্তাররা তাদের ভাত কম খেতে বলেন। কারণ সাদা ভাতের শ্বেতসার যে ক্যালরি পাওয়া যায়, তা দেহে শর্করা এবং মেদের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।

কিন্তু শ্রীলংকার দুজন বিজ্ঞানী সুদাহির জেমস এবং ড. পুষ্পরাজা তাবরাজা ভাত রান্নার নতুন এক পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। যার ফলে ভাতে ক্যালরির পরিমাণ কমিয়ে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অর্ধেক কমিয়ে ফেলা যায়। এই গবেষণাটি করা হয়েছে শ্রীলংকার কলেজ অব কেমিক্যাল সায়েন্সে। আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটির জাতীয় সভায় এই গবেষণার প্রাথমিক ফল প্রকাশ করা হয়। এখন জেনে নেয়া যাক ভাত রান্নার সেই পদ্ধতি সম্পর্কে। গবেষক সুদাহির জেমস বলন, পাত্রে পানি ফোটাতে হবে। এর পর তাতে যে পরিমাণ চাল রান্না করবেন তার প্রায় তিন শতাংশ পরিমাণ নারকেল তেল দিতে হবে। সেই ফুটন্ত পানিতে চাল দিতে হবে। ভাত হয়ে গেলে তা ফ্রিজে ১২ ঘণ্টা রেখে ঠাণ্ডা করতে হবে।

বিজ্ঞানীদের দাবি, নারকেল তেল দিয়ে ভাত রান্না এবং ১২ ঘণ্টা ধরে ঠাণ্ডা করার ফলে ভাতের ভেতর যে স্টার্চ বা শ্বেতসার থাকে তার রাসায়নিক প্রকৃতি বদলে যায়। যা তার ক্যালরির পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

Washington Redskins Womens Jersey