জন্মনিয়ন্ত্রণ ট্যাবলেট থেকে যা ঘটতে পারে! জেনে রাখুন

নারীদের কাছে জন্মনিরোধের সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হচ্ছে ট্যাবলেট৷ তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, এ ট্যাবলেটের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নারীর মস্তিষ্কে পরিবর্তন ঘটাতে পারে৷জার্মানিতে ট্যাবলেট সেবন করেন ৬০ লাখেরও বেশি নারী: অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণ রোধ করতে নারীদের কাছে ‘জন্মনিয়ন্ত্রণ ট্যাবলেটই সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য৷ জার্মানিতে ৬০ লাখেরও বেশি নারী দিনের পর দিন জন্মনিয়ন্ত্রণ ট্যাবলেট সেবন করেন, হয়তো বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কথা সেভাবে না জেনেই৷

গবেষণার ফলাফল:
জার্মানির জালসবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং হাভার্ড মেডিকেল স্কুলের গবেষকরা জন্মনিয়ন্ত্রণ ট্যাবলেটের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে একটি বিপজ্জনক তথ্য উন্মোচন করেছেন৷ তথ্যটি জানিয়েছেন জালসবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক প্রফেসার হুবার্ট কের্শবাউম৷

অ্যান্টিবেবি পিল:
ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টিন হরমোনের সমন্বয়ে যে অ্যান্টিবেবি পিল তৈরি হয় তার কথাই বলছেন গবেষকরা৷ এই দুই হরমোনের সমন্বয়ে তৈরি ট্যাবলেট শুধু ডিম্বস্ফোটনই প্রতিরোধ করে না, পাশাপাশি কপাল এবং তার আশেপাশের অর্থাৎ মস্তিষ্কের কাঠামোগত পরিবর্তনও ঘটাতে পারে৷ বিশেষ করে ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সি মেয়েদের ক্ষেত্রে এমনটি হবার আশঙ্কা খুব বেশি থাকে৷ কারণ, এ সময়ে তাদের মস্তিষ্কের এই সংবেদনশীল জায়গাটা পরিপূর্ণতা পায়৷

নানা রোগের ঝুঁকি:
৩৫ বছরের ওপরে যাদের বয়স বা যাদের অতিরিক্ত ওজন কিংবা মাথা ঘোরার সমস্যা রয়েছ, জন্মনিরোধক মিনি ট্যাবলেট তাদের হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়৷

বিষন্নতা ও মেজাজের ওঠা-নামা:
জন্মনিয়ন্ত্রণ ট্যাবলেট সেবনে অল্পতেই নারীর মেজাজ ওঠা-নামা করে৷ ভুগতে পারেন তারা বিষন্নতায় অথবা মনে আতঙ্কের ভাব তৈরি হতে পারে৷ ১০৫৪ জন নারীকে নিয়ে করা এক সমীক্ষা থেকে এই তথ্য জানা গেছে৷ সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের প্রতি দশ জনের একজন নারী ট্যাবলেট সেবনকালীন সময়ে বিষন্নতায় ভোগার কথা জানিয়েছেন৷

স্মৃতিশক্তি লোপ পেতে পারে:
শুধু তাই নয়, অ্যান্টিবেবি পিল সেবনকালীন সময়ে নারীদের মস্তিষ্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং তা থেকে তাদের স্মৃতিশক্তি কিছুটা লোপ পেতে পারে৷ এবং কথা বলতে গিয়ে শব্দভান্ডারেও দুর্বলতা দেখা দেয়৷

তবে সুখবরও আছে:
ভালো খবর হচ্ছে, ট্যাবলেট সেবনকালে যেসব সমস্যা দেখা দেয়, ট্যাবলেট বাদ দেয়ার পর আবার সেগুলো চলে যায়৷ তবে ট্যাবলেট সেবনের সময় যত কম দীর্ঘ হয়, দ্রুত সুস্থ হওয়া তত সহজ৷

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা।

হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>