এইডস নিয়ে যত ভীতি ও ভুল ধারণা ! জেনে নিন সঠিক তথ্য

আমরা সবাই জানি এইডস একটি মরণ ব্যাধি। এটা এমন একটি রোগ, যার কোনো চিকিৎসা নেই, নেই কোনো প্রতিকার। এইডসের নাম শুনে ভয়ে আঁতকে উঠেন বেশির ভাগ মানুষ। তবে এইডস রোগ নিয়ে এতো ভয় পাওয়ার কিছু নাই। এইডস সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য নিজে জানতে হবে এবং অন্যকেও জানালে প্রতিরোধ করা সম্ভব। যেহেতু এইডস একটি ঘাতকব্যাধি, তাই এ নিয়ে সাধারণের মধ্যে শঙ্কার শেষ নেই। কিন্তু এইডস সম্পর্কে এই শঙ্কার অনেকটাই অমূলক। এমন অনেকে আছেন এইডস রোগীকে দেখামাত্রই উল্টো দৌড়ে পালাবেন এ রকম একটা অবস্থা। ভাবটা এমন যেন এইডস রোগীকে যারা দেখবে, তারাও এ রোগে আক্রান্ত হবে। তাই জেনে নিন এইডস সম্পর্কে সচেতনেতামূলক কিছু তথ্য।

এইডস আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে স্বাভাবিক ও সামাজিক মেলামেশায় এ রোগ অন্যের মাঝে ছড়ায় না। এইডস রোগীর সঙ্গে করমর্দন, কোলাকুলি, একসঙ্গে বসা, গল্প করা, চলাফেরায় কোনো বাধা নেই। এ জাতীয় মেলামেশায় এ রোগ অন্যের মাঝে ছড়ায় না। এমনকি এইডস আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস, হাঁচি, কাশি বা থুতুর মাধ্যমেও এ রোগ অন্যকে সংক্রমিত করে না। এইডস আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে একই বাসায় বসবাস করলে, একই বিছনায় ঘুমালে, একই তোয়ালে/গামছা, বিছানার চাদর ব্যবহারে এইডস ছড়ায় না। কাজেই এইডস আক্রান্ত ব্যক্তিকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

অনেকেই প্রশ্ন করেন, চুমুতে এ রোগ ছড়ায় কি-না? আসলে এইডস রোগীর সঙ্গে চুমুতে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে কথা হচ্ছে কারো মুখে যদি ছোটখাটো ঘা থাকে কিংবা ছিঁড়ে গিয়ে থাকে অথবা মাড়ি থেকে সামান্যতম রক্তপাত হয়ে থাকে ইত্যাদি ক্ষেত্রে এইডসের জীবাণু সুস্থ ব্যক্তির রক্তে সংক্রমিত হতে পারে। অনেকেই ভাবেন, এইডস আক্রান্ত ব্যক্তিকে কোনো মশা কামড়ানোর পর সেই মশা যদি কোনো সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ায়, তাহলে কি সুস্থ ব্যক্তিও এইডসে আক্রান্ত হবে? এ প্রশ্নের উত্তরে বলতে হয়, কীটপতঙ্গ বা মশার কামড়ে এইডস ছড়ায় বলে জানা যায়নি। কাজেই এইডসকে অযথা ভয় না পেয়ে এইডস প্রতিরোধে সচেতন হতে হবে। মানবদেহের প্রায় ৪ টি তরল পদার্থে এইচআইভি থাকে। যথা- রক্ত, বীর্য, সেক্সুয়াল ফ্লুইড/ভ্যাজাইনাল ফ্লুইড এবং মায়ের বুকের দুধ। একটা মজার ব্যপার হচ্ছে, এই চারটা তরল ছাড়াও মুখের লালা এবং প্রস্রাবেও এইচআইভি থাকে। তবে সেগুলো এইচআইভি সংক্রমণের জন্য যথেষ্ট নয়।

এইচআইভি ছোঁয়াচে নয় এবং শুধুমাত্র স্পর্শের মাধ্যমেই এইচআইভি এক শরীর থেকে অন্য শরীরে স্থানান্তরিত হতে পারে না। এ বিচারে, এইচআইভি বহনকারী ব্যক্তি অন্য সাধারণ ব্যক্তিদের মতোই স্বাভাবিক আচরণ প্রত্যাশা করতে পারেন। তথ্য সূত্র: এমসিডিসি

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা।

হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>