যারা নিয়মিত হস্তমৈথুন করেন তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ন একটি পোষ্ট ! অবশ্যই পড়ুন

হস্তমৈথুন খুবই কমন একটি ব্যাপার, কারো করো কাছে হস্তমৈথুন নেশায় পরিণত হয়েছে। আজ আলোচনায় আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব যে, হস্তমৈথুন কি ? হস্তমৈথুনের কি উপকারীতা আছে ? এর ফলে কি কি সমস্যা হতে পারে ?

প্রথমত হস্তমৈথুন মানে যৌন পরিতোষের জন্য পুরুষের গোপনাঙ্গ অথবা নারী তার ভগাঙ্কুর ঘর্ষণ এবং স্তন স্পর্শ করে যৌন আনন্দ উপভোগ করা। এটা একটা স্বাভাবিক উপায় নারী-পুরুষের নিজস্ব অনুভুতি এক্সপ্লোর করার জন্য। হস্তমৈথুন নিজে নিজে অথবা দুটি মানুষের।

প্রতিদিন সব ধরনের খবর জানতে ও মজার মজার ভিডিও দেখতে আমাদের ফেইসবুক পেজে লাইক কমেন্ট শেয়ার করে এক্টিভ থাকুন -বাংলাদেশ অনলাইন, পত্রিকা, সময় সংলাপ ডট কম,আমাদের ফেইসবুক পেজ লাইক দিতে নিচে ফেইসবুক লাইক বটন এ ক্লিক করুন ,অনেক ধন্যবাদ আবার আসবেন।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

রোগ নিরাময়ে মুলার ভূমিকা, দারুন সব উপকারিতা

মুলার ঝাঁঝ ওয়ালা গন্ধের কারণে অনেকে নাক কুঁচকে ফেলেন। তাই আর খাওয়া হয়ে ওঠে না। অথচ এই সবজিটি হতে পারে আপনার অসংখ্য রোগ থেকে মুক্তির উপায়। সহজলভ্য এবং পর্যাপ্ততা থাকায় আপনিও অনায়াসে খেতে পারেন অসাধারণ উপকারী এই সবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম মুলাতে প্রোটিন আছে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৪ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ০.০ আইইউ, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২২ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ১৫ মিলিগ্রাম।

বাজারে পাওয়া সাদা ও লাল দুই ধরনের মুলাতে আছে সমান পুষ্টিগুণ। মজার বিষয় হল, মুলার চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং খুবই মজাদার। পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলাপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

এই কাজটা করলে আর সহজে পাকবে না চুল !

আজকাল দূষণ, অতিরিক্ত স্ট্রেস, খাওয়াদাওয়াসহ নানা কারণে খুব অল্প বয়সেই চুল পেকে যায়। কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে চললে অকালপক্বতা রোধ করতে পারবেন। জানালেন নভীনসের আমিনা হক

জবা ফুল : জবা ফুল চুল পড়া কমিয়ে দেয়। আর সেই সঙ্গে অকালপক্বতাও রোধ করে। সপ্তাহে একবার ঘরে তৈরি হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। ৫টির মতো জবা ফুল পানিতে পাঁচ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এরপর ঠাণ্ডা হলে ফুলগুলো মিহি করে বাটুন। এরপর চুলের গোড়ায় ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। হার্বাল শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন।

ঝিঙে : ঝিঙের রস চুলের অকালপক্বতা আটকানোর জন্য খুবই উপকারী। ঝিঙের টুকরা রোদে শুকান। এরপর একটি বাটিতে নারিকেল তেল আর এই ঝিঙের টুকরা ফুটিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে তেল ছেঁকে বোতলে তুলে রাখুন। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে এই তেল দুবার মাথায় লাগান।

গাজর আর তিল : তিল আর গাজর অকালপক্বতা রোধ করে। তিলের তেল আর গাজরের রস ভালো করে মিশিয়ে নিন। এর মধ্যে এক টেবিল চামচ মেথি গুঁড়া মেশান। এই মিশ্রণ ২০ মিনিট রোদে রেখে দিন। এরপর মাথায় হালকা করে ম্যাসাজ করুন। আধা ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>