এই ঘরোয়া মিশ্রণে এক মিনিটেই দাঁত হবে মুক্তোর মতো সাদা!

অ্যাকাডেমি অফ অল্টারনেটিভ মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ, টরোন্টো-র গবেষকরা তাই হদিশ দিচ্ছেন এমন এক ঘরোয়া কৌশলের যার দ্বারা অতি সহজে নিমেষের মধ্যে সাদা করে তোলা যাবে হলুদ দাঁতকে।

হলুদ দাঁতের কারণে সামাজিক মেলামেশায় বিব্রত বোধ করেন অনেকেই। যাঁদের দাঁতের রং হলুদ তাঁরা অনেক সময়েই হীনমন্যতায় ভোগেন। ভাঁটা পড়ে তাঁদের আত্মবিশ্বাসেও। কিন্তু কীভাবে সাদা করে তোলা যায় হলুদ দাঁতকে? আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাহায্য নেওয়াই যায়। কিন্তু সেই পথে দাঁতের হলুদ ভাব দূর হতে যেমন সময় লাগে, তেমনই সম্ভাবনা থাকে মোটা অঙ্কের টাকা খরচেরও। অ্যাকাডেমি অফ অল্টারনেটিভ মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ, টরোন্টো-র গবেষকরা তাই হদিশ দিচ্ছেন এমন এক ঘরোয়া কৌশলের যার দ্বারা অতি সহজে নিমেষের মধ্যে সাদা করে তোলা যাবে হলুদ দাঁতকে।

জেনে নিন কী করতে হবে। একটি গ্লাসের এক চতুর্থাংশ ভর্তি করুন ভিনিগার দিয়ে। সবচেয়ে ভাল হয় যদি অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ব্যবহার করতে পারেন। বাকিটুকু ভরে নিন পানি দিয়ে। এবার ওই মিশ্রণ দিয়ে মিনিট খানেক কুলকুচি করুন। তারপর স্বাভাবিক ভাবে টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করে নিন। দেখবেন দাঁতের হলুদ ভাব দূর হয়ে গিয়েছে অনেকটাই। পরপর কয়েকদিন এই কৌশলের প্রয়োগে অবিশ্বাস্য ফল পাবেন।

কিন্তু এই মিশ্রণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে-প্রথমত, কোনওভাবেই পানি না মিশিয়ে সরাসরি ভিনিগার মুখে দেবেন না।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি।

অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা।

হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>