পেট ফাঁপার জন্য দায়ী যেসব খাবার! জেনে নিন!

পেট ফাঁপা, পেট গুড়গুড় করা এগুলি অনেকের ক্ষেত্রেই নিয়মিত সমস্যা। এই অস্বস্তিকর অবস্থায় পেট ভারী লাগে, হজমের সমস্যা হতে পারে। খোসা সহই রান্না করে খেয়ে ফেলি কিছু কিছু শাক সবজি। কিন্তু কখনো খেয়াল করেছেন কি যে এইসব খাবার খাওয়ার পর হঠাৎ পেটে ব্যাথা হয়, পেট ফেঁপে যায়। পেট ফাঁপা বা আপসেট স্টমাক( Upset Stomach) এর সমস্যা প্রায় সবারই কখনো না কখনো কম-বেশি হয়েছে। পেট ফাঁপা, সমস্যাটি ছোট বাচ্চা থেকে শুধু করে যেকোনো বয়সের মানুষের এই সমস্যাটি হতে পারে।

কিছু কিছু খাবারের কারণে এই সমস্যা তৈরি করে-

গরুর দুধঃ যাদের ল্যাক্টোজ ইন্টলারেন্সের কারণে পেট ফাঁপার সমস্যায় ভোগতে দেখা যায় তাদের উচিৎ গরুর দুধের পরিবর্তে সয়া দুধ পান করা। এর ফলে আপনার পেট ফাঁপার সমস্যা থেকে মুক্ত থাকার পাশাপাশি প্রোটিনের চাহিদাও পূরণ হবে।

সবজির খোসাঃ বেগুণের খোসা, টমেটোর খোসা, আলুর খোসা, এসব হজম সহজে হয় না। এসবের কারণেও এই সমস্যা হতে পারে এবং ইন্টেসটাইনের রোগ “ডাইভারকুলাইটিস” হতে পারে। তাই এইসব সবজি রান্নার পূর্বেই ভালোভাবে খোসা ছাড়িয়ে নিন।

পেঁয়াজঃ যেকোনও রান্নায় পেঁয়াজের ব্যবহার আমাদের হয়েই থাকে। তবে বেশিমাত্রায় পেঁয়াজ খেলে পেটে গ্যাস হওয়াটা স্বাভাবিক।

সবুজ চাঃ সবুজ চা বা গ্রীন টি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি । এতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। তবে সবুজ চা আপসেট স্টমাকের কারণ হতে পারে।

আপেলঃ আপেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা বেশি পরিমাণে খেলে পেট ফাঁপতে পারে। এর সঙ্গে ন্যাসপাতি খেলে পেটে গ্যাস হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

ভাজা পোড়া ও চর্বিযুক্ত খাবারঃ বিভিন্ন প্রকার ফাস্ট ফুড যেমন- বার্গার, ফ্রায়েড চিকেন, চিপস ইত্যাদি খাবার এবং সমুচা, সিঙ্গারার মত ডিপ ফ্রায়েড খাবার ব্লটিং এর সমস্যা তৈরি করে। কারণ এগুলোকে ভেঙ্গে হজম উপযোগী করতে পাকস্থলীর অনেক সময় লাগে। এই অতিরিক্ত সময়ের জন্য গ্যাস উৎপন্ন হয় যা ব্লটিং এর কারণ।

শাক-সবজিঃ পালং শাক ও অন্যান্য কয়েকটি শাকসবজি স্বাস্থ্যের পক্ষে উপযোগী হলেও এগুলি পেটে গ্যাস তৈরির জন্য দায়ী। কারণ এতে থাকা রাফিনোজ ও ফ্রুকটান অন্ত্রে গ্যাস তৈরি করে।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি।

অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা।

হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>