বেশিক্ষণ বীর্য ধরে রাখার বৈজ্ঞানিক কিছু কৌশল! জেনে নিন!

দাম্পত্য জীবনে অসুখী পুরুষের আজকাল অভাব নাই। বর্তমানে অনেক পুরুষ মিলনে স্থায়ী করতে পারেন না। বহু কারণ থাকতে পারে এর পিছনে। যৌন মিলন নিয়ে যারা মানসিক ভাবে দুর্বলতায় ভুগেন তাদের জন্য আজ কিছু টিপস দিচ্ছি আশাকরি আপনার যৌন জীবনের জন্য টিপসগুলো আপনার সমস্যা থেকে মুক্তি দিবে।

সহবাস করার সময় ছেলের যদি ১০মিনিটের মাথায় বীর্যপাত হয়, সেটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক । একে দ্রুত বীর্যপাত বলা যাবে না । এমনকি ৬-৭ মিনিট ও স্বাভাবিক বলা চলে।

আপনি তখনি আপনার এ বিষয় টি নিয়ে চিন্তা করবেন যখন আপনার তার থেকেও কম অর্থাৎ ১-৫ মিনিটে বের হয়ে যাবে। কেবল তখনি আপনি বলতে পারবেন যে আপনার এ সমস্যা অর্থাৎ দ্রুত বের হয়ে যাচ্ছে।

প্রথম প্রথম সব মানুষের ক্ষেত্রেই অনভিজ্ঞতা, লজ্জা, নিজের উত্তেজনা কে নিয়ন্ত্রন করতে না পারা ইত্যাদির কারনে এমন টা হতে পারে। চিন্তার কিছু নেই। সময় নিন, তাড়াহুড়া করে মিলিত হবেন না।

বীর্য বেশিক্ষণ ধরে রাখার কৌশল:
# শরীর টাকে আপনার পার্টনারের শরীরের উপরে সমান্তরালে রাখার চেস্টা করুন। শরীরের পুরো ভার আপনার পার্টনারের উপর দিয়ে দিন। ওই অবস্থাতেই খুব রিলাক্স ভাবে আপ ডাউন করুন।মনে রাখবেন যদি শরীর আলগা করে আপ ডাউন করতে যান তবেই কিন্তু আউট হয়ে যাবে।

#হাতের ওপর জোর বাড়ান। অনেক সময় দেখা যায় ছেলেরা করার সময় সব বা প্রায় সব ভর পেনিস এই দিয়ে থাকে , এতে দ্রুত বের হয়ে যেতে পারে তাই হাতে জোর বাড়াতে হবে ।

# মিলনের আগে অবশ্যই মন শান্ত রাখতে হবে, কোনভাবে নিজেকে উত্তেজিত কার যাবে না।মনে আজেবাজে চিন্তা আনা যাবে না।মেরে রাখবেন যৌন মিলন ক্ষণস্থঅয়ী হওয়ার মূল কারণ শারীরিক ও মানসিক দিন দিয়ে অস্থিরতা অনুভব করা।

# সকল প্রকার মানসিক, শারিরীক অস্থিরতা বা চাপ কমিয়ে নিজেকে সহজ করুন।

# এক পজিশনে বেশিক্ষণ না করে পজিশন বদলে বদলে করতে হবে ।

# একটি পদ্ধতি হল একবার বের করে দেয়া। আপনি আপনার স্পার্ম পার্টনার কে দেখিয়ে তার গায়ে অথবা অন্য কোথাও সেক্স এর আগেই বের করুন একবার। সে হর্নি হবে দেখবে। এবার পেনিস টা ভালমত পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এবার ২মিনিট ব্রেক এর পর আস্তে আস্তে আবার কিসিং শুরু করুন । ১৫মিনিটের মাথায় আবার ঢুকাতে সক্ষম হবার কথা ।

# কনডম ব্যবহার করবেন। কারণ কনডম ব্যবহার করলে বীর্যপাত দেরিতে হয়। কনডম ইউজ করলে পুরুষাঙ্গে শির শির ভাব কম হয়, যার কারণে বীর্যপাত হতে দেরি হয়।

# যেকোন প্রকার নেশাজাত দ্রব্য পরিহার বাধ্যতামূলক। অনেকদিন যাবৎ যৌন ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য এবং যৌন মিলন দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য তামাকজাত দ্রব্য, মদ, সিগারেট, নেশাজাত ওষুধ সম্পূর্ণরূপে বর্জন করতে হবে।

# ঢোকানো অবস্থায় যদি আপনার মনে হয় যে এখনি বের হয়ে আসছে তখন আর সোজা ধাক্কা না দিয়ে ঘোরানো শুরু করুন । হাত দিয়ে পেনিস ধরবেন না ।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

রোগ নিরাময়ে মুলার ভূমিকা, দারুন সব উপকারিতা

মুলার ঝাঁঝ ওয়ালা গন্ধের কারণে অনেকে নাক কুঁচকে ফেলেন। তাই আর খাওয়া হয়ে ওঠে না। অথচ এই সবজিটি হতে পারে আপনার অসংখ্য রোগ থেকে মুক্তির উপায়।

সহজলভ্য এবং পর্যাপ্ততা থাকায় আপনিও অনায়াসে খেতে পারেন অসাধারণ উপকারী এই সবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম মুলাতে প্রোটিন আছে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৪ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ০.০ আইইউ, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২২ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ১৫ মিলিগ্রাম।

বাজারে পাওয়া সাদা ও লাল দুই ধরনের মুলাতে আছে সমান পুষ্টিগুণ। মজার বিষয় হল, মুলার চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং খুবই মজাদার।

পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলাপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

এই একটি মাত্র পানীয় হাড় মজবুত করবে, বৃদ্ধি করবে শরীরের কর্মক্ষমতা

আমাদের দেহের কাঠামো তৈরি হয় হাড়ের মাধ্যমে। দেহের আকৃতি ধরে রেখে সঠিক পরিচালনার জন্য হাড়ের গুরুত্ব অনেক। অথচ এই হাড়কে আমরা তেমন গুরুত্ব দেই না। দেহের সুস্থতার জন্য আমরা অনেক কাজ করিঅনেক ধরণের খাবার খাই। কিন্তু হাড়ের যত্ন তেমনভাবে নেওয়া হয় না। আর এই অযত্নের কারণে অল্প বয়সে হাঁটু ব্যথাপা ব্যথা সহ অস্টিওপোরোসিস রোগ দেখা দেয়।

আপনি যদি মনে করেন হাড়ের যত্ন নেওয়ার জন্য আপনি অনেক তরুণ, তবে আপনি ভুল ধারনা করছেন। হাড় মজবুত করার জন্য প্রয়োজন নেই কোনো বয়সের, প্রয়োজন নেই বাড়তি কোনো যত্নের। একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট হতে পারে হাড় মজবুত করার পূর্ব শর্ত। এছাড়া একটি পানীয় আপনার হাড় মজবুত করার পাশাপাশি সারাদিনে কাজের শক্তি যোগাবে। এই পানীয়টি তৈরির জন্য খুব বেশি কিছুর প্রয়োজন নেই। ঘরে থাকা উপাদান দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন এই পানীয়টি।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>