ক্যানসার আটকাতে চাইলে রোজ খান কাঁচা রসুন !

কথায় আছে প্রিভেশন ইজ বেটার দ্যান কিওর ৷ আর সেই প্রিভেশনের চাবিকাঠি যদি থাকে আপনার রান্নাঘরেই তাহলে তো কথাই নেই ৷

যত সময় এগোচ্ছে, ততই বদলে যাচ্ছে আমাদের জীবনযাপন ৷ বিজ্ঞান ছুটছে, সঙ্গে ছুটছি আমরাও ৷ আর তাই তো লাইফস্টাইলের নানারকম ফাঁদে পড়ে, মাঝে মধ্যেই সম্মুক্ষীন হচ্ছি, মারণরোগে ! কিন্তু জানেন কি? একটু সচেতন থাকলেই, জীবনযাপনটা একটু বদলে নিলেই আর নো চাপ !

ডাক্তাররা বলছে এরকমই ৷ আমাদের চারপাশে রয়েছে এমন কিছু জিনিস, যা দিয়ে সহজেই কুপোকাৎ করা যাবে ক্যানসারকে ৷ আর যার মধ্যে রসুন কিন্তু খুবই উপকারী ৷

চিকিৎসকের কথায়, প্রত্যেকদিন সকালে উঠে খালি পেটে এক কোয়া করে কাঁচা রসুন খান ৷ রসুনের মধ্যে থাকা উপকারী জিনিস, ক্যানসার রোগ হওয়া থেকে শরীরকে বাঁচিয়ে রাখে ৷

তবে শুধু ক্যানসারই নয়, চিকিৎসকের কথা রসুন অনেক রোগ থেকেই দূরে রাখে শরীরকে ৷

যাঁদের মধ্যে ঠান্ডা লাগার ঝোঁক বেশি, সকালে উঠে খালি পেটে রসুন খেতে পারেন৷

বাতের ব্যথা থেকে আরাম পাওয়ার জন্য সরষের তেলে রসুন দিয়ে গরম করে ব্যথার জায়গায় মাখুন ৷ দেখবেন আরাম পাবেন ৷

দাঁতের ব্যথায় রসুনের রস লাগিয়ে রাখুন ৷ জলদি আরাম পাবেন ৷

রসুন খেলে মুখে বাজে গন্ধ হয় ৷ কিন্তু জানেন কি? এক বা দু’কোয়া রসুন খেয়ে ভালো করে দাঁত মেজে নিলে দাঁত হয় ঝকঝকে !

গলা ব্যথায় ভুগছেন? সরষের তেলের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে হালকা গরম করে গলায় লাগিয়ে দিন ৷ ব্যথা কমে যাবে ৷

এছাড়াও, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রসুন খুবই উপকারী !

সবাই এখন যা পড়ছে :-

রোগ নিরাময়ে মুলার ভূমিকা, দারুন সব উপকারিতা

মুলার ঝাঁঝ ওয়ালা গন্ধের কারণে অনেকে নাক কুঁচকে ফেলেন। তাই আর খাওয়া হয়ে ওঠে না। অথচ এই সবজিটি হতে পারে আপনার অসংখ্য রোগ থেকে মুক্তির উপায়।

সহজলভ্য এবং পর্যাপ্ততা থাকায় আপনিও অনায়াসে খেতে পারেন অসাধারণ উপকারী এই সবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম মুলাতে প্রোটিন আছে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৪ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ০.০ আইইউ, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২২ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ১৫ মিলিগ্রাম।

বাজারে পাওয়া সাদা ও লাল দুই ধরনের মুলাতে আছে সমান পুষ্টিগুণ। মজার বিষয় হল, মুলার চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং খুবই মজাদার।

পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলাপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

এসব উপাদান আপনার সুস্থতায় কী ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে তা জেনে নেয়া যাকঃ

মুলার হজমকারী ক্ষমতা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। পাইলস রোগে আরাম হয়। পাইলসের কারণে রক্ত পড়া পর্যন্ত বন্ধ হয়। মুলা রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। লিভার এবং পাকস্থলীর সমস্ত দুষণ এবং বর্জ্য পরিস্কার করে থাকে। মুলা কিডনি রোগসহ মূত্রনালির অন্যান্য রোগে উপকারী। কাঁচা মুলা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে হজম হয় দ্রুত এবং রুচি বাড়ে। কচি মুলার সালাদ ক্ষুধা বৃদ্ধি করতে সহায়ক। জ্বরে ভুগলে বা মুখের রুচি নষ্ট হয়ে গেলে মুলা কুচি করে কেটে চিবিয়ে খেলে উপকার পাবেন। জ্বর কমবে, মুখের রুচিও বাড়বে। পেটে ব্যথা বা গ্যাসের সমস্যা হলে মুলার রসের সঙ্গে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভালো ফল পাবেন। শ্বেত রোগের চিকিৎসায় মুলা দারুণ উপকারী। এন্টি কারসেনোজিনিক উপাদান সমৃদ্ধ মুলার বীজ আদার রস এবং ভিনেগার একসঙ্গে ভিজিয়ে রেখে আক্রান্ত স্থানে লাগাতে হবে। কাঁচা মুলা চিবিয়ে খেলেও কাজ দেবে। ত্বক পরিচর্যায়ও মুলা ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। কাঁচা মুলার পাতলা টুকরা ত্বকে লাগিয়ে রাখলে ব্রণ নিরাময় হয়। এছাড়া কাঁচা মুলা প্যাক এবং ক্লিনজার হিসেবেও দারুন উপকারী নিয়মিত মুলা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে বাচ্চা পর্যাপ্ত দুধ পাবে।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>