না বুঝে শসা খেলেই পড়বেন ভয়ঙ্কর বিপদে ! জেনে নিন কেন !

আসছে গরম বাড়ছে শসার চাহিদা। কিন্তু এবার একটু বুঝেশুনে খান শসা। বলছেন চিকিত্‍সকরাই। শসা মানেই সহজে হজম । এটাই চলতি ধারনা। কিন্তু শসা থেকেই ঘটে যেতে পারে বড় বিপদ! আধুনিক চিকিত্‍সা বিজ্ঞানের নয়া গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই আশঙ্কার তথ্য। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, তেতো শসার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ভয়ঙ্কর বিষ। যা থেকে হার্ট অ্যাটাক বা কিডনিও বিকল হতে পারে আপনার। তেতো শসা খাওয়া বিপজ্জনক। কারণ তেতো শসা মানেই তা টক্সিক, বিষাক্ত বেশি শসা খেলে ডিহাইড্রেশন সমস্যা হতে পারে শরীরে ওজন অস্বাভাবিক কমে যেতে পারে শসায় প্রচুর পরিমানে ভিটামিন C থাকে। শরীরে ভিটামিন C এর আধিক্য কোষের ক্ষতি করে শসায় পটাসিয়ামের পরিমাণও থাকে অনেকটাই বেশি। বেশি শসা শরীরে পটাসিয়ামের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যা থেকে তলপেটে ব্যথা,পেটের রোগ, এবং কিডনিও ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে শসায় জলের ভাগ প্রায় ৯০ শতাংশ। জলের পরিমাণ বাড়ালে শরীরে ভারসাম্য নষ্ট হয়। বিঘ্নিত হয় পাচন প্রক্রিয়া।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

রোগ নিরাময়ে মুলার ভূমিকা, দারুন সব উপকারিতা

মুলার ঝাঁঝ ওয়ালা গন্ধের কারণে অনেকে নাক কুঁচকে ফেলেন। তাই আর খাওয়া হয়ে ওঠে না। অথচ এই সবজিটি হতে পারে আপনার অসংখ্য রোগ থেকে মুক্তির উপায়।

সহজলভ্য এবং পর্যাপ্ততা থাকায় আপনিও অনায়াসে খেতে পারেন অসাধারণ উপকারী এই সবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম মুলাতে প্রোটিন আছে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৪ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ০.০ আইইউ, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২২ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ১৫ মিলিগ্রাম।

বাজারে পাওয়া সাদা ও লাল দুই ধরনের মুলাতে আছে সমান পুষ্টিগুণ। মজার বিষয় হল, মুলার চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং খুবই মজাদার।

পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলাপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

এসব উপাদান আপনার সুস্থতায় কী ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে তা জেনে নেয়া যাকঃ

মুলার হজমকারী ক্ষমতা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। পাইলস রোগে আরাম হয়। পাইলসের কারণে রক্ত পড়া পর্যন্ত বন্ধ হয়। মুলা রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। লিভার এবং পাকস্থলীর সমস্ত দুষণ এবং বর্জ্য পরিস্কার করে থাকে। মুলা কিডনি রোগসহ মূত্রনালির অন্যান্য রোগে উপকারী। কাঁচা মুলা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে হজম হয় দ্রুত এবং রুচি বাড়ে। কচি মুলার সালাদ ক্ষুধা বৃদ্ধি করতে সহায়ক। জ্বরে ভুগলে বা মুখের রুচি নষ্ট হয়ে গেলে মুলা কুচি করে কেটে চিবিয়ে খেলে উপকার পাবেন। জ্বর কমবে, মুখের রুচিও বাড়বে। পেটে ব্যথা বা গ্যাসের সমস্যা হলে মুলার রসের সঙ্গে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভালো ফল পাবেন। শ্বেত রোগের চিকিৎসায় মুলা দারুণ উপকারী। এন্টি কারসেনোজিনিক উপাদান সমৃদ্ধ মুলার বীজ আদার রস এবং ভিনেগার একসঙ্গে ভিজিয়ে রেখে আক্রান্ত স্থানে লাগাতে হবে। কাঁচা মুলা চিবিয়ে খেলেও কাজ দেবে। ত্বক পরিচর্যায়ও মুলা ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। কাঁচা মুলার পাতলা টুকরা ত্বকে লাগিয়ে রাখলে ব্রণ নিরাময় হয়। এছাড়া কাঁচা মুলা প্যাক এবং ক্লিনজার হিসেবেও দারুন উপকারী নিয়মিত মুলা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে বাচ্চা পর্যাপ্ত দুধ পাবে।

আপনার ভুলেই হারাচ্ছেন নিজের দৃষ্টিশক্তি ! এই লক্ষণ গুলো দেখলেই সাবধান হোন

আমাদের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল অঙ্গ হল চোখ। চোখের সঠিক যত্ন নেওয়া তাই বিশেষভাবে দরকার।

কর্মব্যস্ত দিনে চোখে বেশি চাপ পড়ে। কারণ, কখনো কম্পিউটারের সামনে, কখনো টেলিভিশনের সামনে বা কখনো মনোযোগ দিয়ে কিছু পড়া হয়। এর মধ্যে চোখের বিশ্রামের কথা ভাবার অবকাশ হয় না। এ ছাড়া চোখ সাজানোর জন্য কত কিছুই তো করা হয়। কিন্তু বাড়ি ফিরে ভালোভাবে চোখ কি পরিষ্কার করা হয়?

চোখে সামান্য অসুবিধা হলেই সতর্ক হওয়া উচিত। কারণ আপনার অযত্নেই হারিয়ে যেতে পারে আপনার দৃষ্টিশক্তি।

এমন কিছু কিছু লক্ষ্মণ আছে, যা বুঝিয়ে দেবে আপনার চোখ ক্লান্ত কি না-

লাল হয়ে যাওয়া- আপনি যদি দীর্ঘক্ষণ কোনও কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে বসে থাকেন, তাহলে আপনার চোখ শুকিয়ে যেতে পারে। তখন লাল হয়ে যায় চোখ। জ্বালা জ্বালা করে।

চোখ দিয়ে জল পড়া- অনেকসময় চোখ দিয়ে জলও পড়তে পারে। তাহলে বুঝবেন আপনার চোখ ক্লান্ত। তার বিশ্রাম প্রয়োজন।

চোখে যন্ত্রণা- চোখের অতিরিক্ত পরিশ্রম হলে, ঠিকমত ঘুম না হলে, চোখে যন্ত্রণা হয়।

ডবল ভিশন বা চোখে ঘোলা দেখা- আপনি যদি সবকিছুই ঘোলা ঘোলা দেখেন, তাহলে অবিলম্বে সাবধান হোন।
চোখ অতিরিক্ত ক্লান্ত হলে এমনটা হয়।

বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপ

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>